অক্টোবর ১৩, ২০২০ ১৩:০৭ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: রেডিও তেহরানের প্রাত্যহিক আয়োজন কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ । আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আজ ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবারের কথাবার্তার আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড,অধ্যাদেশে রাষ্ট্রপতির সই-প্রথম আলো
  • ধর্ষণের ক্ষেত্রে মানুষটা হয়তো পশু হয়ে যায় প্রধানমন্ত্রী-বাংলাদেশ প্রতিদিন
  • এমসি কলেজে ধর্ষণের ঘটনায় ৪ জনের ছাত্রত্ব সাময়িক বাতিল-দৈনিক মানবজমিন
  • নিয়োগ বদলি ও তদবির নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের সতর্ক বার্তা- দৈনিক ইত্তেফাক
  • ই পাসপোর্ট নিয়ে শুরুতেই ভোগান্তি-কালের কণ্ঠ
  • করোনায় বিশ্বে মৃত্যু ১০ লাখ ৭৯ হাজার ছাড়িয়েছে-সমকাল
  • কর্মসংস্থানে দুই হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ -দৈনিক যুগান্তর

ভারতের শিরোনাম:    

  • ভ্যাকসিনের জন্য অপেক্ষা নয়, যা আছে তাই দিয়েই লড়াই করুন, পরামর্শ Who কর্তার-সংবাদ প্রতিদিন
  • নির্যাতিতা ধনী পরিবারের হলেও এভাবে দাহ করতেন? হাথরস নিয়ে পুলিশকে হাইকোর্ট-দৈনিক আজকাল
  • অক্সফোর্ডের পর জনসন, স্বেচ্ছাসেবকের অজানা রোগ, বন্ধ হলো করোনা টিকার ট্রায়াল-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা

পাঠক/শ্রোতা ! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। 

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, অধ্যাদেশে রাষ্ট্রপতির সই-দৈনিক প্রথম আলো

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন অধ্যাদেশে সই করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। সংসদ অধিবেশন না থাকায় এই অধ্যাদেশ এখন আইনে পরিণত হলো। সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে এটি আইন আকারে পাস হবে। এর আগে সোমবার ধর্ষণ মামলার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।

দৈনিকটির অন্য একটি খবরের শিরোনাম-ধর্ষকেরা ‘পশুর’ মতো: প্রধানমন্ত্রী

বিস্তারিত খবরে লেখা হয়েছে,ধর্ষকদের ‘পশু’ বলে অভিহিত করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, নারীদের এ পশুর হাত থেকে বাঁচাতে সরকার সংশ্লিষ্ট আইনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান যুক্ত করেছে। ‘আন্তর্জাতিক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস দিবস ২০২০’ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শাহদীন মালিক বলেছেন, ৭টি ধারায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান আছেই, এখন হবে ৮টি।নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৩৪টি ধারার মধ্যে ১২টিতেই বিভিন্ন অপরাধের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধান ছিল।এখন আবার আইন সংশোধন করে ধারা ৯(১)–এ যাবজ্জীবন শাস্তির পরিবর্তে করা হচ্ছে ‘যাবজ্জীবন অথবা মৃত্যুদণ্ড’। এই সংশোধনীর ফলে আইনে মোট ৮টি ধারায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান থাকবে।নারী ধর্ষণ, সহিংসতা, নির্যাতন, শ্লীলতাহানি, যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের প্রতিবাদে কয়েক দিন ধরে যথার্থ কারণেই সারা দেশে আন্দোলন চলছে। নারীরা বছরের পর বছর এসব অপরাধের শিকার হয়ে এবং কোনো প্রতিকার বা বিচার না পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই ছিলেন ক্ষুব্ধ, রাগান্বিত, হতাশাগ্রস্ত ও আতঙ্কিত (ট্রমাটাইজড)। ফলে তাঁদের এবং তাঁদের সঙ্গে বহু পুরুষের দেশব্যাপী এই প্রতিবাদ ছিল প্রত্যাশিত।

প্রতিনিয়ত নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়ে এর প্রতিকারের স্বাভাবিক দাবিই ছিল মৃত্যুদণ্ড। এই দাবির প্রতি আমাদের আছে সম্পূর্ণ সহানুভূতি। কিন্তু আমরা যারা আইন নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি একটু করেছি, তারা জানি, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭টি ধারায় মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে আরও একটি, অর্থাৎ ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড যোগ করলে কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না।বিচারের বহু বছরের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা জানি যে শাস্তি যত কঠোর হয়, আসামি তত বেশি নির্দোষ প্রমাণিত হয়। বর্তমানে যাবজ্জীবনের পরিবর্তে ধর্ষণের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান করলে ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার হার ১ শতাংশের নিচে নেমে আসবে। বিচারে কোনো আসামি দোষী প্রমাণিত হলে এবং তাঁর মৃত্যুদণ্ডের রায় হলে এর বিরুদ্ধে আপিল যাবে হাইকোর্ট বিভাগে। হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখলে আপিল যাবে আপিল বিভাগে। এটা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। ফলে বিচার শেষ হতে কমপক্ষে ১২ বছর লাগবে। ফলে শাস্তির দৃষ্টান্তমূল্য ভীষণভাবে হ্রাস পাবে।

গবেষণার তথ্য-ঢাকার অর্ধেক মানুষের করোনা হয়ে গেছে-দৈনিক প্রথম আলো

ঢাকা শহরের প্রায় অর্ধেক মানুষের করোনা সংক্রমণ ঘটে গেছে। অ্যান্টিবডি পরীক্ষার ফলাফল বলছে, তিন মাস আগেই রাজধানীর ৪৫ শতাংশ মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। করোনা-ভাইরাসের জিন বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা অনুমান করছেন, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি দেশে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছিল। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এবং আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) যৌথ গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

দৈনিক যুগান্তরের একটি খবরে লেখা হয়েছে, সিলেটে পুলিশ হেফাজতে রায়হানের মৃত্যুর ঘটনায় নির্যাতনের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর নগরীর বন্দরবাজার ফাঁড়ি ইনচার্জ আকবর হোসেন পালিয়ে গেছেন। এর আগে আকবরসহ ৪ পুলিশকে সাময়িক বরখাস্ত এবং ৩ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আকবরের নেতৃত্বে এই অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। সোমবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত সে তদন্ত কমিটির সামনে হাজির ছিল।মূলত গ্রেফতার এড়াতেই সে পালিয়ে গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তাকে ধরতে বিভিন্ন স্থানে পুলিশের অভিযান চলছে।

করোনার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব-সামষ্টিক অর্থনীতির ৪৬ লক্ষ্য অর্জনে শঙ্কা-দৈনিক যুগান্তর

করোনা মহামারীতে শঙ্কার মুখে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির ৪৬ লক্ষ্য অর্জন। প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় (২০২১-৪১) এসব লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- প্রকৃত খাত নির্দেশক ১৩টি, আর্থিক নির্দেশক ১৪টি, ঋণ নির্দেশক আটটি,বহিস্থ নির্দেশক সাতটি এবং মুদ্রা সংশ্লিষ্ট নির্দেশক চারটি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে এসব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

দ্রব্যমূল্য টুঁটি চেপে ধরেছে-দৈনিক কালের কণ্ঠ

লাগামহীন বাজারে দিশাহারা হয়ে পড়েছে মানুষ। সপ্তাহ পেরোলেই বাজারে নতুন করে বাড়ছে কোনো না কোনো পণ্যের দাম। মাস পেরিয়ে সেই সব পণ্যের দাম একপ্রকার টুঁটি চেপে ধরছে ক্রেতা-ভোক্তার। কিছু পণ্যের দাম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে স্বাভাবিকের চেয়ে দুই থেকে তিন গুণ।

দাম বাড়ার এই তালিকায় চাল-ডাল যেমন রয়েছে, তেমনি আলু-পটোলসহ প্রায় সব ধরনের সবজিও রয়েছে। বাদ যায়নি পেঁয়াজ, মরিচসহ মসলাজাতীয় পণ্যও।সরকারের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এখন প্রায় সব পণ্যের ব্যবসায়ীরাই এই পথ ধরেছেন। ফলে পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও চাল, পেঁয়াজ, আলু ইত্যাদি পণ্যের দাম বেড়েছে লাগামহীন। এতে বিপাকে পড়েছে করোনা পরিস্থিতিতে আয় কমে যাওয়া সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। তবে দ্রব্যমূল্যের এমন ঊর্ধ্বগতির চাপ সবচেয়ে বেশি পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের ওপর। মানুষের এমন দুর্ভোগেও বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেই সরকারের—এমন অভিযোগ ক্রেতা-ভোক্তাদের।

এবার ভারতের কয়েকটি খবরের বিস্তারিত: 

মানুষ মরলেও বিজেপির যায়-আসে না: মমতা-দৈনিক আনন্দবাজার

অশুভ শক্তির বিনাশ করতেই অসুরদলনী মা আসেন— বিজেপির উদ্দেশে এই বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গেই তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘‘অনেক চেষ্টা করছেন। মনে রাখবেন অত সস্তা নয়।’’

তৃণমূলের দলীয় মুখপত্রের উৎসব-সংখ্যা উদ্বোধন করে সোমবার করোনা পরিস্থিতিতে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সূত্রেই নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠিত এই দলীয় কর্মসূচিতে তিনি বিজেপির কড়া সমালোচনা করেন। মমতা বলেন, ‘‘সবাই করোনায় মরে গেলেও বিজেপির কিছু যায় আসে না। যেন-তেন প্রকারে ক্ষমতায় আসাই তাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে চেষ্টা তারা চালিয়ে যাচ্ছে।’’ শুধু ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে বিজেপি মানুষকে অতিমারির মুখে ঠেলে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন মমতা।

সমস্ত দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে বাঁচাবে গোবরের তৈরি চিপ’, ঘোষণা কামধেনু আয়োগের চেয়ারম্যানের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

সমস্ত দুরারোগ্য ব্যাধির হাত থেকে বাঁচতে ভরসা গোবর (Cow dung)। কেননা গোবর বিকিরণ-রোধী (Anti-radiation)। এমনই দাবি করলেন রাষ্ট্রীয় কামধেনু আয়োগের চেয়ারম্যান বল্লভভাই কাঠিরিয়া। এদিন তিনি একটি চিপ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, গোবর তথা ঘুঁটে থেকে নির্মিত এই চিপ মোবাইলের ভিতরে রাখলে তা বিকিরণের মাত্রা কমিয়ে দেবে। ফলে রোগের হাত খেকে রক্ষা মিলবে। দেশব্যাপী ‘কামধেনু দীপাবলী অভিযান’-এর সূচনা করার পর তিনি এই ঘোষণা করেছেন। প্রসঙ্গত, সারা দেশে গোবরজাত পণ্যের প্রচার করাই এই অভিযানের লক্ষ্য।

এদিন বল্লভভাই কাঠিরিয়া বলেন, ‘‘গোবর সকলকে রক্ষা করবে। কারণ তা বিকিরণ-রোধী। এটা বিজ্ঞানসম্মত। এই ‘রেডিয়েশন চিপ’, মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা হলে তা বিকিরণকে রোধ করবে। এটা বিভিন্ন রোগের হাত থেকে আমাদের বাঁচাবে। আপনারা অসুখের হাত থেকে বাঁচতে চাইলে এটা ব্যবহার করে দেখতে পারেন।’’

‌নির্যাতিতা ধনী পরিবারের হলেও এভাবে দাহ করতেন?’, হাথরস নিয়ে পুলিশকে হাইকোর্ট‌-দৈনিক আজকাল

হাথরস কাণ্ড নিয়ে এবার শ্রেণী বৈষম্যের প্রশ্ন তুলে দিল খোদ এলাহাবাদ হাইকোর্ট। গরিব দলিত পরিবারের ছিলেন বলেই নির্যাতিতার শেষকৃত্য এভাবে হয়েছে, সেকথাও ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দিল আদালত। হাথরস কাণ্ডে পুলিশের পদক্ষেপ বিচার করে দেখছে উত্তরপ্রদেশ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ। 

নির্যাতিতার মৃত্যুর পর রাত আড়াইটার সময় দেহ পুড়িয়ে দেয় উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। পরিবারকে আটকে রাখে বাড়িতে। শেষবার মেয়েকে তাঁদের ঘরে নিয়ে যাওয়ার আর্জিও মানেনি পুলিশ। এই নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। পুলিশ দাবি করে, পরের দিন সকালে দাহ করলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হত। গোয়েন্দা মারফত আগাম খবর পেয়েই এই সিদ্ধান্ত নেয় তারা।

স্কুল বন্ধে ভারতের ক্ষতি ২৯ লক্ষ কোটি-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা

কোভিড অতিমারির জেরে টানা স্কুল বন্ধ থাকার ফলে ভারতীয় অর্থনীতির প্রায় ৪০ হাজার কোটি ডলার ক্ষতি হতে পারে বলে একটি রিপোর্টে জানাল বিশ্ব ব্যাঙ্ক। ভারতীয় টাকায় এই অঙ্কটা ২৯ লক্ষ কোটি পেরিয়ে যাচ্ছে।

বিটেন অর ব্রোকেন? ইনফরম্যালিটি অ্যান্ড কোভিড-১৯ ইন সাউথ এশিয়া’ শীর্ষক রিপোর্টি বিশ্ব ব্যাঙ্ক আজই পেশ করে। সেই রিপোর্টের বক্তব্য, অতিমারির জন্য দক্ষিণ এশিয়ায় অভূতপর্ব আর্থিক মন্দা আসছে। এই মন্দার প্রভাব হবে দীর্ঘস্থায়ী। সহজে তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। রিপোর্টটির বক্তব্য, অতিমারিতে স্কুল বন্ধ থাকায় সামগ্রিক ভাবে দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ৬২,২০০ কোটি ডলার ক্ষতি হবে। এমনকি তা ৮৮,০০০ কোটিও ছুঁতে পারে। এই ক্ষতির বড় অংশই বইতে হবে ভারতকে। সমস্ত দেশের জিডিপি-তেই এর প্রভাব পড়বে।

বিশ্ব ব্যাঙ্কের বিশেষজ্ঞদের মতে, কোভিডের সময়ে অধিকাংশ দেশে মার্চ থেকেই স্কুল বন্ধ হয়ে যায়। এখন কোনও কোনও দেশে স্কুল খুলেছে। কিন্তু দীর্ঘ দিন স্কুলের বাইরে থাকা ছাত্রছাত্রীরা নতুন কিছু তো শেখেইনি, উল্টে শেখা জিনিসও কিছুটা ভুলে গিয়েছে। রিপোর্টটির বক্তব্য, এরই প্রভাব পড়বে উপার্জনের ক্ষেত্রে।#

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১৩

  • বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।