সার্চ কমিটির সংক্ষিপ্ত তালিকায় ২০ জন, রোববার ফের বৈঠক
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i104066-সার্চ_কমিটির_সংক্ষিপ্ত_তালিকায়_২০_জন_রোববার_ফের_বৈঠক
বাংলাদেশের নতুন নির্বাচন কমিশন আইন আনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য কমিশনার জন্য নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে ২০ জনের নামের তালিকা প্রস্তুত করেছে অনুসন্ধান কমিটি।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২ ১৫:০২ Asia/Dhaka
  • সার্চ কমিটির বৈঠক শেষে ব্রিফিং করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) ড. শামসুল আরেফিন।
    সার্চ কমিটির বৈঠক শেষে ব্রিফিং করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) ড. শামসুল আরেফিন।

বাংলাদেশের নতুন নির্বাচন কমিশন আইন আনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য কমিশনার জন্য নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে ২০ জনের নামের তালিকা প্রস্তুত করেছে অনুসন্ধান কমিটি।

আজ (শনিবার) সকালে অনুসন্ধান কমিটির সভায় এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এই ২০ জনের মধ্য থেকে ১০ জনের নামের তালিকা রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে অনুসন্ধান কমিটি। সেখান থেকেই প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) পাঁচজনকে দিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন করবেন রাষ্ট্রপতি।

আজ সকালে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে অনুসন্ধান কমিটির দুই ঘণ্টা বৈঠক শেষে কমিটির সাচিবিক দায়িত্বে থাকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার শাখার সচিব মো. সামসুল আরেফিন গণমাধ্যমকে জানান, আইনে বর্ণিত যোগ্যতা অনুসারে যাচাই করে প্রস্তাবিত নামগুলো থেকে ২০ জনের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী দু'একটি সভায় (১০ জনের) চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত হবে।

আজকের সভায় উপস্থিত ছিলেন, সার্চ কমিটির সদস্য বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন, লেখক-অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হক, মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক ও নিরীক্ষক (সিএজি) মুসলিম চৌধুরী এবং সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইন।

কমিটির পরবর্তী বৈঠক হবে আগামীকাল রোববার বিকেল সাড়ে চারটায়।

উল্লেখ্য, গত শনিবার, রোববার ও মঙ্গলবার মোট তিন দিনে চার দফায় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মোট ৪৭ জন বিশিষ্ট নাগরিকের সঙ্গে বৈঠক করে সার্চ কমিটি। নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, পেশাজীবি সংগঠন, ব্যক্তি পর্যায় থেকে প্রস্তাবিত ৩২২ জনের নাম সোমবার রাতে প্রকাশ করা হয়।

আকবর আলি খান

'নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ হলেও তারা একা কিছু করতে পারবে না'

এদিকে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আকবর আলি খান আজ বলেছেন, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ হলেও তারা একা কিছু করতে পারবে নাকার হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে সরকার এবং আমলা এক হয়ে গেছে। পুলিশ বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তা তারা সব একত্রে কাজ করে। সুতরাং  আমলাতন্ত্রের ক্ষমতা হ্রাস করতে হবে।
আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে 'বর্তমান জাতীয় সংকট এবং সমাধানে নাগরিক ভাবনা' শীর্ষক সেমিনারে সাবেক এ আমলা বলেন, আমার সার্চ কমিটির ওপর কোনো আস্থা নেই। এর কারণ হচ্ছে, যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা সবাই দল করেন। আর যদি প্রতক্ষ্যভাভবে দল নাও করেন তাহলেও কোনো কাজ হবে না। কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে দল-নিরপেক্ষ কোনো লোক নেই।

আকবর আলি খান বলেন, আমাদের দেশের সিস্টেম যুক্তরাষ্ট্রের মতো করতে হবে। আমাদের সাংবিধানিকভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং আমলাতন্ত্রকে সরকারের রাহুগ্রাস থেকে মুক্ত করতে হবে। এটা করতে পারলে সরকার এবং আমলাতন্ত্র উভয়েই লাভবান হবে। তবে এ ধরনের সমস্যা রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয়। সেটা করতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হবে।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১৯