'একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মত ঘটনা আগামীতেও ঘটতে পারে'
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i112226-'একুশে_আগস্ট_গ্রেনেড_হামলার_মত_ঘটনা_আগামীতেও_ঘটতে_পারে'
একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মত ঘটনা আগামীতেও ঘটতে পারে-এমন আশংকা ব্যক্ত করে দেশের মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
আগস্ট ২১, ২০২২ ১৬:১৩ Asia/Dhaka
  • 'একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মত ঘটনা আগামীতেও ঘটতে পারে'

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মত ঘটনা আগামীতেও ঘটতে পারে-এমন আশংকা ব্যক্ত করে দেশের মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, “এই আঘাত হয়ত আরো আসবে সামনে। কারণ যখন আমার আব্বা দেশটাকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল, তখনই তো ১৫ অগাস্ট ঘটেছে। আর আজকেও বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হয়েছে, উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।"

আজ রোববার একুশে আগষ্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার অষ্টাদশ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার চেতনায় আবার সেই 'জয় বাংলা' ফিরে এসেছে, আবার জাতির পিতার নাম বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হচ্ছে, এগুলো যারা সহ্য করতে পারবে না, তারা ‘বসে থাকবে না’। তারা আঘাত করবেই। বাংলাদেশকে আবারও সেই জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করবে।”

২০০৪ সালের এই দিনে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলটির ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিবিরোধী’ সমাবেশে বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় অল্পের জন্য রক্ষা পান তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই ঘটনায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী আইভি রহমানসহ সবমিলিয়ে ২৪ জন মারা গিয়েছিলেন। গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হন ৫ শতাধিক নেতা-কর্মী। আহত হন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা। আহত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী-সমর্থকদের অনেকে এখনও স্প্লিন্টারের আঘাত নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ের সেই ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এ জাতীয় ঘটনা ঘটতে পারে না। লক্ষ্য তো ছিল আমাকেই হত্যা করা এবং আমাদের নেতাকর্মী মানে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করা। আলোচনা সভায় যোগ দেওয়ার আগে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নির্মিত শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে গ্রেনেড হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হামলার দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০১৮ সালে ১০ অক্টোবর বিচারিক আদালত হামলার সময়কার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। অন্যদিকে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এছাড়া আরও ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন আদালত।মামলাটি এখন উচ্চ আদালতে বিচারাধীন।#

 

পার্সটুডে আব্দুর রহমান খান/ বাবুল আখতার /২১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।