বরিশালে সিইসির বক্তব্য: রাজনৈতিক মহলের প্রতিক্রিয়া ও বিশ্লেষকদের পরামর্শ
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i124406-বরিশালে_সিইসির_বক্তব্য_রাজনৈতিক_মহলের_প্রতিক্রিয়া_ও_বিশ্লেষকদের_পরামর্শ
নির্বাচন কমিশন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ। তারা বলেছে, হাতপাখা প্রতিকের প্রার্থীকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করে গণমাধ্যমের সাথে হাতপাখা প্রতিকের প্রার্থীর উপরে হামলার বিষয়ে অসংলগ্ন মন্তব্য করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দ্রুত পদত্যাগ করতে হবে।
(last modified 2026-04-19T07:31:14+00:00 )
জুন ১৪, ২০২৩ ১০:৫৭ Asia/Dhaka

নির্বাচন কমিশন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ। তারা বলেছে, হাতপাখা প্রতিকের প্রার্থীকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করে গণমাধ্যমের সাথে হাতপাখা প্রতিকের প্রার্থীর উপরে হামলার বিষয়ে অসংলগ্ন মন্তব্য করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দ্রুত পদত্যাগ করতে হবে।

আজ মঙ্গলবার, গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি শহিদুল ইসলাম কবির বলেন, নির্বাচন কমিশন তাঁদেরকে একটি পরিক্ষা দেবার সুযোগ চেয়েছিলেন, কিন্তু ১২ জুন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অবাধ, নিরপেক্ষ, পেশিশক্তির প্রভাব মুক্ত, সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে ব্যর্থ হয়ে তারা সে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন। বরিশালের ভোটার ও প্রার্থীদের প্রত্যাশা পুরনে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।

তিনি বলেন, অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশনের আশ্বাসে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সিনিয়র নায়েবে আমীর জনগনের দাবীর মুখে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রশাসনের নিরবতায় নির্বাচনের দিন সরকার দলীয় প্রার্থীর পক্ষের পেশীশক্তির কাছে দুই বার আক্রান্ত হওয়া দুঃখজনক ঘটনা। পাশাপাশি "উনি কি ইন্তেকাল করেছেন" বলে সিইসি যে মন্তব্য করেছেন তা দায়িত্ব ও কাণ্ডজ্ঞানহীন"। সিইসি'র এই মন্তব্য দেশবাসীর হৃদয় আঘাত হেনেছে।  এই মন্তব্যের জন্য জাতীর কাছে ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগ করার কথা বলেন শহিদুল ইকলাম কবীর।

উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে হাতপাখার প্রার্থীর রক্তাক্ত হওয়াটা ‘আপেক্ষিক’ বলে মন্তব্য করেছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেছেন, ‘উনি (প্রার্থী) কি ইন্তেকাল করেছেন? না, উনি কি কতটা… আমরা যেটা দেখেছি, ওনার কিন্তু রক্তক্ষরণটা দেখিনি। যতটা শুনেছি, ওনাকে কেউ পেছন দিক থেকে ঘুষি মেরেছে। ওনার বক্তব্যও শুনেছি, উনিও বলেছেন—“ভোট বাধাগ্রস্ত হচ্ছে না। আমাকে আক্রমণ করা হয়েছে।’

এ বক্তব্যের জেরে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে চলছে সমালোচনা। বিশ্লেষকরাও বিষয়টিকে দেখছেন অযাচিত হিসেবেই।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ও জানিপপ চেয়ারম্যান ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্যে আরো সাবধানি হওয়া উচিৎ ছিল। একজন প্রার্থীর সম্পর্কে এধরনের শব্দ ব্যবহার কোন ভাবেই কাম্য নয়। #

পার্সটুডে/রেজওয়ান হোসেন/১৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।