জামিন আবেদন নামঞ্জুর, কারাগারে বিএনপি নেতা রিজভী
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i17494-জামিন_আবেদন_নামঞ্জুর_কারাগারে_বিএনপি_নেতা_রিজভী
হরতাল-অবরোধে নাশকতার ৫ মামলায় জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
আগস্ট ১৮, ২০১৬ ০৭:২২ Asia/Dhaka
  • রুহুল কবির রিজভী (ফাইল ফটো)
    রুহুল কবির রিজভী (ফাইল ফটো)

হরতাল-অবরোধে নাশকতার ৫ মামলায় জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে ওই ৫ মামলায় জামিনের আবেদন জানান রিজভী। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লার আদালতে এসব মামলার জামিন শুনানি হয়। শুনানি শেষে আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

আদালতে রিজভীর পক্ষে শুনানি করেন- অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া ও জয়নুল আবেদীন মেজবাহ। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন তাপস কুমার পাল। 

গত ২৫ জুলাই ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক রুহুল আমীন রাজধানীর পল্লবী থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে রিজভীসহ ৯ বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর থেকেই তাকে গ্রেফতারে আইনশৃংখলা বাহিনী তৎপর হয়ে ওঠে। বিষয়টি টের পেয়ে সতর্কভাবে চলাফেরা করেন তিনি।

গত ২৯ জুলাই গুলশানে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিষয়ে দলের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন রিজভী।  গুলশানে তার অবস্থান জানতে পেরে আইনশৃংখলা বাহিনী কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশে অবস্থান নেয়। এরপর কার্যালয় থেকে আর বের হননি তিনি।

৩০ জুলাই রাতে গুলশান কার্যালয়ে যান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বিষয়টি নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন রিজভী আহমেদ। এভাবে অবরুদ্ধ না থেকে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন খালেদা জিয়া। তার এমন নির্দেশনার পর আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করেন তিনি। আইনজীবীদের পরামর্শেই ৩১ জুলাই আদালতে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন রিজভী। ওই দিন সকাল পৌন ৯টার দিকে গুলশান কার্যালয় থেকে বেরিয়েও যান তিনি। তবে ওইদিন আদালতে না গিয়ে ১৮ দিন পর আজ আদালতে গেলেন রিজভী।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে হরতাল-অবরোধের সময় গাড়ি ভাঙচুর, বিস্ফোরক, পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধাদানের অভিযোগে রাজধানীর পল্লবী, মতিঝিল ও রমনা থানায় মামলাগুলো দায়ের করা হয়। পরে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। সেসব মামলায় রিজভীকে পলাতক দেখানো হয়েছে ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৮