তদন্ত কর্মকর্তাকে ৩ প্রশ্নের সুযোগ পেলেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i19561-তদন্ত_কর্মকর্তাকে_৩_প্রশ্নের_সুযোগ_পেলেন_খালেদা_জিয়ার_আইনজীবীরা
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক হারুন-অর রশিদকে পুনরায় জেরা করার বিষয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আবেদন মঞ্জুর করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৬ ০৭:৫১ Asia/Dhaka
  • আদালতে খালেদা জিয়া (ফাইল ফটো)
    আদালতে খালেদা জিয়া (ফাইল ফটো)

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক হারুন-অর রশিদকে পুনরায় জেরা করার বিষয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আবেদন মঞ্জুর করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

এ সংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তি করে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জেরা করার জন্য আজ (বৃহস্পতিবার) ঢাকা বিশেষ জজ আদালত-৩ কে নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে যে নথিপত্র দেখে তদন্ত কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছিলেন তার কপিও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

নিম্ন আদালত ও হাইকোর্টে এ সংক্রান্ত করা দু’টি আবেদন খারিজের বিরুদ্ধে আপিল গ্রহণ করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এ রায়ের ফলে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তিন প্রশ্নের ওপর জেরা করার সুযোগ পেলেন বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। সেগুলো হলো- ১. ট্রাস্টি বোর্ডের কোনো সম্পত্তি অপব্যবহার হইলে বোর্ড অব ট্রাস্টি দায়ী কি-না? ২. হলফকারী হিসেবে  আপনি হলফ করে কি বলেছেন? এবং ৩. আপনাকে ২০০৫ সালে দুদক থেকে প্রত্যাহার করা  হয়েছে? তারপর থেকে  আপনি কিভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন?

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

পরে খুরশীদ আলম খান জানান, চারটি প্রশ্নে জেরা চেয়ে তারা আবেদন জানিয়েছিলেন। আদালত পযবেক্ষণসহ সে আবেদনের নিষ্পত্তি করেছেন। তবে চারটি নয়, মামলার পরবর্তী নির্ধারিত দিনে তিনটি প্রশ্নে জেরা শেষ করতে হবে। 

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি।

জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ।

ওই মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।#

পার্সটুডে/এআর/৮