সময়মতো প্রতিটি হত্যা ও গুমের বিচার করা হবে: গয়েশ্বরের হুঁশিয়ারি
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i22165-সময়মতো_প্রতিটি_হত্যা_ও_গুমের_বিচার_করা_হবে_গয়েশ্বরের_হুঁশিয়ারি
সরকার ও সরকারি দলের অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, দেশে কোনো ধরনের অন্যায় মেনে নেয়া হবে না। খুন-ধর্ষণ কিংবা হত্যার বিচার হবে না, তা হবে না। অবশ্যই এর বিচার একদিন করা হবে। এজন্য আমাদের সোচ্চার হতে হবে। যেকোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
অক্টোবর ০৬, ২০১৬ ১৬:৩৮ Asia/Dhaka
  • মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
    মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

সরকার ও সরকারি দলের অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, দেশে কোনো ধরনের অন্যায় মেনে নেয়া হবে না। খুন-ধর্ষণ কিংবা হত্যার বিচার হবে না, তা হবে না। অবশ্যই এর বিচার একদিন করা হবে। এজন্য আমাদের সোচ্চার হতে হবে। যেকোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে।

আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মহিলা দল আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন। সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রী খাদিজাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে আহত করার প্রতিবাদে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

গয়েশ্বর বলেন, ক্ষমতাসীন সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ নয়, তাই কোনো হত্যার বিচার হয় না। যদি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার হতো তাহলে অবশ্যই সব হত্যাকাণ্ড ও ধর্ষণের বিচার হতো। প্রতিটি হত্যাকাণ্ড ও গুমের বিচার সময় মতো করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

গয়েশ্বর রায় আরো বলেন, "সরকারি দলের ক্যাডারদের পাহারা ও নিরাপত্তা দেয়া হলো এখন প্রশাসনের কাজ। কিন্তু প্রশাসনকে হতে হবে জনবান্ধব। যদি তা না হয় তাহলে খাদিজা হত্যার চেষ্টাকারীও হারিয়ে যাবে তনু, মিতু ও সাগর-রুনি হত্যাকারীদের মতো। কিন্তু আজ হারিয়ে গেলেও যখন সময় আসবে তখন আমরা সব হত্যাকাণ্ড ও গুমের বিচার করব।"

মানববন্ধনে বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, একের পর এক রাজনৈতিক কর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে। কোনো হত্যার আজ বিচার হচ্ছে না। যখনই যে হত্যা হয়, নিহত হয় তখনই সেই অভিযোগ চাপিয়ে দেয়া হয় বিরোধীদলীয় রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর। আর সেই সুযোগে প্রকৃত অপরাধীরা আড়ালে চলে যায়। নতুন করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করার অনুপ্রেরণা পায়।

এদিকে, আওয়ামী লীগের মহিলা নেত্রীরা মুমূর্ষ খাদিজার পাশে দাঁড়িয়ে নিষ্ঠুরভাবে সেলফি তুলে দেশকে অসস্মান করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি'র যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। বাংলাদেশ গণ-ঐক্য নামে একটি সংগঠন আয়োজিত মানববন্ধনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপি’র এই নেতা বলেন, "কয়েকটি মিডিয়ার মাধ্যমে যখন জানতে পারলাম খাদিজার হত্যা চেষ্টাকারী ছাত্রলীগের নেতা, তখন দলটি অস্বীকার তাকে শিবিরের বলে চাপিয়ে দিচ্ছে। আওয়ামী লীগ নেত্রীর কাছে জাতির প্রশ্ন- নিজ দলের অন্যায়ের দায় কেন তিনি নেবেন না?"#

পার্সটুডে/শামস মণ্ডল/আশরাফুর রহমান/৬