দেশে দারিদ্র্য বলে কিছু থাকবে না, প্রতিটি মানুষ সুশিক্ষিত হবে: শেখ হাসিনা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i23677-দেশে_দারিদ্র্য_বলে_কিছু_থাকবে_না_প্রতিটি_মানুষ_সুশিক্ষিত_হবে_শেখ_হাসিনা
২০৪১ সালের মধ‌্যে দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ (শনিবার) দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ‌্যানে আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব‌্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
(last modified 2026-06-27T09:59:16+00:00 )
অক্টোবর ২২, ২০১৬ ১২:২৯ Asia/Dhaka
  • বক্তব্য রাখছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
    বক্তব্য রাখছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

২০৪১ সালের মধ‌্যে দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ (শনিবার) দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ‌্যানে আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব‌্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, "২০৪১ সালের মধ্যে ক্ষুধামুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সংসদ সদস্য, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের সব নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান- আপনারা নিজ নিজ এলাকায় কতজন দরিদ্র, গৃহহারা, ঘর নেই, বাড়ি নেই, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী- তাদের তালিকা পাঠান। আমাদের দায়িত্ব তাদের উন্নয়ন, আওয়ামী লীগ জনগণের সংগঠন; তাদের উন্নয়ন হবেই। দেশে কোনো দারিদ্র্য থাকবে না।"

২০৪১ সালের মধ‌্যে বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে শেখ হাসিনা বলেন, "দেশে দারিদ্র্য বলে কিছু থাকবে না। শূন্যের কোটায় নামাব। প্রতিটি মানুষ সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে। কারিগরি শিক্ষা পাবে। পুষ্টিহীনতা দূর হবে। এছাড়া মাতৃত্বকালীন ভাতা দিচ্ছি। সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবে সবাই, ব্যবস্থা করা হবে সুপেয় পানির।"

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমাদের কোনো ঘর অন্ধকারে থাকবে না, প্রতি ঘরে আলো জ্বালব। শত ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাবে।"

শেখ হাসিনা দৃঢ়ভাবে বলেন, "বাংলাদেশের মাটি সন্ত্রাসবাদে-জঙ্গিবাদে ব্যবহার হবে না। এ দেশের ভূখণ্ড সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং প্রতিবেশী দেশের কোনো ক্ষতিতে ব্যবহার করতে দেবো না। সেতুবন্ধনের আর শান্তিপূর্ণ দেশ হবে আমাদের।"

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "আমাদের সমস্ত আন্তর্জাতিক যোগাযোগ উন্নত করা হবে। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়- এই নীতিতে আমরা বিশ্বাস করি। স্বাধীনতার সুফল সবার ঘরে ঘরে পৌঁছে দেব। ক্ষুধামুক্ত যে স্বপ্ন বঙ্গবন্ধু দেখেছিলেন তার বাস্তব রূপ নেবে।"

দুপুর একটা ২২ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য শুরু করেন। দুপুর ২টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেষ হয়। দীর্ঘ বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, "তৃণমূল নেতা-কর্মীদের আত্মত্যাগই আওয়ামী লীগকে ধরে রেখেছে। তারাই দলের প্রাণ।"   

বক্তব্যের শুরুতে উপস্থিত কাউন্সিলর, ডেলিগেট, দেশি-বিদেশি আমন্ত্রিত অতিথিদের অভিবাদন জানিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিহতদের স্মরণ করেন শেখ হাসিনা। এছাড়া, মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল শহীদ ও জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ করেন তিনি। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানকালীন সময় তৃণমূলের সকল নেতার অবদানকে স্মরণ করেন তিনি।

এর আগে সকালে বর্ণাঢ‌্য আয়োজনে সম্মেলন উদ্বোধন করেন দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা। এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পর বিদেশি অতিথিরা বক্তব‌্য রাখেন। সভাপতির ভাষণের পর সম্মেলন মুলতবি করেন শেখ হাসিনা। #

পার্সটুডে/এআর/২১