সামনে নির্বাচন, জনগণের কাছে যেতে হবে : শেখ হাসিনা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i23770-সামনে_নির্বাচন_জনগণের_কাছে_যেতে_হবে_শেখ_হাসিনা
তৃতীয় দফা নির্বাচনে জয়ী হতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, “সামনে নির্বাচন। জনগণের কাছে যেতে হবে। তৃতীয় দফা নির্বাচনে জয়লাভ করতে হলে জনগণের দোরগোড়ায় যেতে হবে। উন্নয়নের কথা বলতে হবে।”
(last modified 2026-06-27T09:59:16+00:00 )
অক্টোবর ২৩, ২০১৬ ০৯:৩৪ Asia/Dhaka
  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

তৃতীয় দফা নির্বাচনে জয়ী হতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, “সামনে নির্বাচন। জনগণের কাছে যেতে হবে। তৃতীয় দফা নির্বাচনে জয়লাভ করতে হলে জনগণের দোরগোড়ায় যেতে হবে। উন্নয়নের কথা বলতে হবে।”

আজ (রোববার) সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে কাউন্সিলরদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন। দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে কাউন্সিল অধিবেশনের কাজ শুরু করেন শেখ হাসিনা। ছয় হাজার ৫৭০ জন কাউন্সিলর এই কাউন্সিলের মাধ‌্যমে আগামী তিন বছরের জন‌্য দলের নতুন নেতৃত্ব ঠিক করবেন।

দলকে গতিশীল করতে তরুণ ও নবীন নেতৃত্ব নির্বাচনের বিকল্প নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি চাই, আমি বেঁচে থাকতে থাকতে নেতা নির্বাচন করে দলকে শক্তিশালী করে যাব। যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে ভবিষ্যতের পথে এগোবে আওয়ামী লীগ।'

নেতাকর্মীদের সৎ থাকার নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ‌্যে সততা দেখতে চাই। আমি চাই, আমি বেঁচে থাকতে থাকতে নেতা নির্বাচন করে দলকে শক্তিশালী করে যাব।”এ সময় মিলনায়তনে উপস্থিত কাউন্সিলররা দাঁড়িয়ে সমস্বরে ‘না, না’ বলে ওঠেন।

শেখ হাসিনা বলেন, “আওয়ামী লীগ আমার পরিবার। আওয়ামী লীগ আমার আপনজন। আমার সন্তানদের এতো সময় দেই নাই আওয়ামী লীগকে যত সময় দিয়েছি। এখানে তালি বাজালে হবে না। জনগণের কাছে যেতে হবে।... পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে হবে।”

গত সাত বছরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশে উন্নয়নের চিত্র মানুষের কাছে তুলে ধরার ওপর জোর দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “ব্যাপক প্রচার করতে হবে। জনগণকে বোঝাতে হবে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে।”

বিগত সময়ে সরকারে থাকা বিএনপির কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সতর্ক করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “যারা মানি লন্ডারিং করে, পুড়িয়ে মানুষ মারে, যুদ্ধাপরাধীদের মদদ দেয়, তারা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে।”

আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে কাউন্সিলরদের মতের ভিত্তিতে দলটির আগামী দিনের নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে। এ দিনের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- জেলার নেতাদের রিপোর্ট পেশ। এছাড়া কাউন্সিলরা তাদের বক্তব্য রাখার জন্য ৩ মিনিট করে সময় পাবেন। এতে সাংগঠনিক চিত্র এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন নিয়ে মতামত দিতে পারবেন।

এরপর দলের গঠনতন্ত্রের সংশোধন ও ঘোষণাপত্র অনুমোদন দেয়া হবে। গঠনতন্ত্র সংশোধনের পরপরই বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে। মধ্যাহ্ন বিরতির পর নির্বাচন প্রক্রিয়ায় শুরু হবে। এতে কোনও পদে একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোটের প্রয়োজন হবে। আর একক প্রার্থী হলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণার পর নির্বাচিত সভাপতি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন। এর মাধ্যমে শেষ হবে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা।#

পার্সটুডে/এআর/২২