দুর্নীতি মামলা: খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের পরবর্তী শুনানি ২৬ জানুয়ারি
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i30736-দুর্নীতি_মামলা_খালেদা_জিয়ার_আত্মপক্ষ_সমর্থনের_পরবর্তী_শুনানি_২৬_জানুয়ারি
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের ওপর শুনানির জন্য ২৬ জানুয়ারি পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেছে আদালত।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
জানুয়ারি ১২, ২০১৭ ১১:১৫ Asia/Dhaka
  • আদালতে খালেদা জিয়া (ফাইল ফটো)
    আদালতে খালেদা জিয়া (ফাইল ফটো)

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের ওপর শুনানির জন্য ২৬ জানুয়ারি পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেছে আদালত।

খালেদা জিয়ার পক্ষে সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ (বৃহস্পতিবার) পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবু আহমেদ জমাদার এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে সকাল ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানীর গুলশানের বাসা থেকে পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালতের উদ্দেশে রওনা হন খালেদা জিয়া। বেলা ১১টার কিছু আগে তিনি আদালতে পৌঁছান।

শুনানির শুরুতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদকে জেরা করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এর পর দুই মামলায় খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের ওপর শুনানি শুরু হয়।

ওই সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার আদালতের উদ্দেশে বলেন, 'জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাক্ষীদের শপথসংক্রান্ত বিষয় চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে একটি আবেদন করা হয়েছে। সেই আবেদনের ওপর আজ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। যে কারণে খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেয়ার নতুন দিন ধার্য করা হোক।'

তবে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল এ বক্তব্যের বিরোধিতা করে বক্তব্য দেন। পরে আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে প্রথমে ১৯ জানুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

কিন্তু খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বলেন, ১৯ জানুয়ারি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী। এই দিন খালেদা জিয়া ও আইনজীবীরা বিভিন্ন কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকবেন। তাই সময় বাড়াতে হবে। এসব বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ২৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি।

জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুদকের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ।

অন্যদিকে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় আরো একটি মামলা করে দুদক।#

পার্সটুডে/এআর/১২