কক্সবাজারে মিয়ানমার প্রতিনিধিদল, তাদের ওপর আস্থা নেই রোহিঙ্গাদের
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i34754-কক্সবাজারে_মিয়ানমার_প্রতিনিধিদল_তাদের_ওপর_আস্থা_নেই_রোহিঙ্গাদের
নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের খোঁজখবর নিতে কক্সবাজারে এসেছে মিয়ানমারের ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
মার্চ ১৯, ২০১৭ ১৫:৫৮ Asia/Dhaka

নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের খোঁজখবর নিতে কক্সবাজারে এসেছে মিয়ানমারের ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল।

গত অক্টোবর মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় সে দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বেশ কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার ঘটনা ঘটে এতে সীমান্ত পুলিশের ১২ সদস্য নিহত হয় সেই হামলার জন্য রোহিঙ্গা মুসলমানদের দায়ী করে রোহিঙ্গাদের ওপর দমন অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ অভিযানের মুখে জীবন বাঁচাতে ৭০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশু  সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট  দিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে

অন্তর্জাতিক চাপের মুখে মিয়ানমার সরকার এ বিষয়ে  তদন্ত করতে ১০ সদস্যের একটি টীম গঠন করে দলের প্রধান  জ্যং মিন্ট এর নেতৃত্বেই প্রতিনিধিদলটি রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার পৌঁছায়
 

প্রতিনিধিদলটি মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পালিয়ে আসার কথা স্বীকার করেছেতারা রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছে বিকেলে তারা উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন রেন। সোমবার সকালে তারা বালুখালী লেদা ক্যাম্প পরিদর্শন রার কথা রয়েছে।

এ প্রসংগে রোহিঙ্গা এডুকেশন ডেভলপমেন্ট  প্রোগ্রামএর সাধারণ সম্পাদক জনাব জসিরউদ্দীন রেডিও তেহরানকে বলেন, কুতুপালং ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় পালিয়ে আসা নারীরা তাদের উপর নির্যাতনরে বিবরণ তুলে ধরেন।

এসময় দুজন মহিলা জানান, এর আগে মংডুতে এ প্রতিনিধি দলের কাছে  নির্যাতনের বিবরণ দেবার কারনে সেখানকার সেনাবাহিনী তাদের খুঁজতে যায় এবং তারা এখানে পালিয়ে এসেছে।

রোহিঙ্গারা মনে করছে, এ তদন্ত টীম যথাযথ প্রতিবেদন না দয়ে উল্টা প্রতিবেদন দেবে। সে জন্য তাদের প্রতি নির্যতিতদের আস্থা নেই।

মিয়ানমার প্রতিনিধি দলের সাথে  মিটিং-এর  কথা স্বীকার করে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানান, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান এবং কীভাবে উভয় দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটানো যায় তার উপায় নিয়ে উভয়পক্ষ আলোচনা  করেছেন।#

পার্সটুডে/ আব্দুর রহমান খান/ বাবুল আখতার/১৯