মিয়ানমারকে অবশ্যই রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের লাখ লাখ মানুষ বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মানবিক কারণে তাদের এখানে থাকতে দেয়া হলেও নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে চেষ্টা চলছে। মিয়ানমারকে অবশ্যই তার নিজ নাগরিক রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে হবে। সারা বিশ্ব বাংলাদেশের পাশে আছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে সাভার সেনানিবাসে কোর অফ মিলিটারি পুলিশ, সিএমপি কোরের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন, কোর পুনর্মিলনী ও সিএমপি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা রক্ষার ইউনিটটিকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময়, চৌকস মিলিটারি পুলিশের একটি দল তাকে সশস্ত্র রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা উজ্জীবিত আমাদের সেনাবাহিনী। দেশের আস্থা ও গর্বের প্রতীক। দেশপ্রেম ও পেশাদারী বাহিনী দেশের ভূখণ্ড, সার্বভৌমত্ব সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের যেকোনো প্রয়োজনে সর্বদায়, আস্থা ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে নিজেদেরকে নিবেদিত করে থাকে। সেনা সদস্যরা নিষ্ঠার সঙ্গে দেশ মাতৃকার কাজে উদ্বুদ্ধ করবে। জনগণের কল্যাণে কাজ করবে।
মিয়ানমারের শরণার্থীদের সহায়তা কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, বিশ্ব সম্প্রদায় আমাদের মানবিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছে। জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের সব ধরনের সহায়তায় সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা বহুল প্রশংসিত হয়েছে।
সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ ও অর্জন তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। অর্থনৈতিক অগ্রগতির সুযোগে বিশ্বের শীর্ষ ৫টি দেশের একটি আজ বাংলাদেশ।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গ্রাম পর্যন্ত উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছাতে আমার কাজ করে যাচ্ছি। ২০২১ সালের মধ্যে কোনো ঘর অন্ধকারে থাকবে না। আমরা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবো। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরি করব বলে ঘোষণা দিয়েছিলাম। আজ বাংলাদেশ ডিজিটাল হিসেবে গড়ে উঠেছে। আগামীতে দেশ আরো এগিয়ে যাবে।
পরে তিন বাহিনী প্রধানদের নিয়ে কোর অব মিলিটারি পুলিশ-সিএমপি স্কুলের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।#
পার্সটুডে/শামস মণ্ডল/আশরাফুর রহমান/২৩