রোহিঙ্গাদের ভার বহন করা বাংলাদেশের জন্য খুবই কষ্টসাধ্য: শেখ হাসিনা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i49971-রোহিঙ্গাদের_ভার_বহন_করা_বাংলাদেশের_জন্য_খুবই_কষ্টসাধ্য_শেখ_হাসিনা
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রোহিঙ্গাদের জন্য পৃথক একটি জায়গায় আবাসনের উদ্যোগও নিচ্ছে তার সরকার। আমরা মানবিক কারণেই তাদের আশ্রয় দিয়েছি। তবে ব্যাপক সংখ্যক জনগোষ্ঠীর ভার বহন করা বাংলাদেশের জন্য খুবই কষ্টসাধ্য। তিনি বলেন, জানি না কবে মিয়ানমার তাদের প্রত্যাবাসন শুরু করবে। তবে এজন্য আন্তর্জাতিক চাপ বজায় রাখতে হবে।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
ডিসেম্বর ১৭, ২০১৭ ২২:১৬ Asia/Dhaka
  • নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে শেখ হাসিনা
    নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রোহিঙ্গাদের জন্য পৃথক একটি জায়গায় আবাসনের উদ্যোগও নিচ্ছে তার সরকার। আমরা মানবিক কারণেই তাদের আশ্রয় দিয়েছি। তবে ব্যাপক সংখ্যক জনগোষ্ঠীর ভার বহন করা বাংলাদেশের জন্য খুবই কষ্টসাধ্য। তিনি বলেন, জানি না কবে মিয়ানমার তাদের প্রত্যাবাসন শুরু করবে। তবে এজন্য আন্তর্জাতিক চাপ বজায় রাখতে হবে।

নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ১৫টি দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনীতিকরা রোববার সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারের নগরিকদের সে দেশে ফেরত নিতে আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখার জন্য তার আহ্বান পুনর্বযক্ত করে বলেন, মিয়ানমারের সরকারকে তার নাগরিকদের অবশ্যই দ্রুততার সঙ্গে যথাযথ মর্যাদা ও নিরাপত্তা দিয়ে ফেরত নিতে হবে।

শেখ হাসিনা

দূতরা হলেন- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, ইথিওপিয়া, জর্জিয়া, গ্রিস, পর্তুগাল, স্লোভেনিয়া ও ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত, সাইপ্রাস, মরিশাস ও কেনিয়ার হাইকমিশনার, অস্ট্রিয়া, চেক রিপাবলিক ও ঘানার চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এবং নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় সচিব। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তারা নিরাপত্তা ও মর্যাদাসহ মিয়ানমারের নাগরিকদের সঠিক প্রত্যাবাসন নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশকে তাদের সমর্থন দিয়েছেন।

ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলীর বিশেষ আমন্ত্রণে এই কূটনীতিকরা বাংলাদেশ সফরে এসেছেন। প্রতিনিধিদলটি বেলা ১১টার দিকে বিমানযোগে কক্সবাজার পৌঁছান। পরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করেন। বৈঠকে রোহিঙ্গা সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে প্রাথমিক তথ্য উপস্থাপন করা হয়। 

রোহিঙ্গা শরণার্থী

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বিনিময় করে দূতেরা প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, তাদের (রোহিঙ্গা) ভোগান্তি খুবই বেদনাদায়ক। রোহিঙ্গারা যাতে তাদের স্বদেশ ভূমি রাখাইন রাজ্যে ফিরে যেতে পারে সেজন্য মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ নিতে হবে।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী এবং প্রেস সচিব ইহসানুল করিম উপস্থিত ছিলেন।#

পার্সটুডে/আশরাফূর রহমান/১৮