ড. কামালের চেম্বারে পুলিশ, নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i66862-ড._কামালের_চেম্বারে_পুলিশ_নিরাপত্তা_নিয়ে_আলোচনা
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সিনিয়র কর্মকর্তারা আজ দুপুরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে তার চেম্বারে সাক্ষাৎ করে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ডিসেম্বর ২৬, ২০১৮ ১৫:০৪ Asia/Dhaka
  • ড. কামালের চেম্বারে পুলিশ, নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সিনিয়র কর্মকর্তারা আজ দুপুরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে তার চেম্বারে সাক্ষাৎ করে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

এ সাক্ষাতের পর ড. কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘পুলিশ কর্মকর্তারা আমাকে বলেছেন, তাঁরা আমার নিরাপত্তার ব্যাপারে খুবই উদ্বিগ্ন। কোনো কিছু প্রয়োজন হলে চেম্বারে ও বাসায় তাঁরা নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেবে। দরকার হলে গাড়ির সঙ্গেও নিরাপত্তা দেবে। এ ছাড়া কিছু বলেনি।’ তিনি বলেন, ডিএমপি কমিশনারের আসার কথা থাকলেও কাজে আটকা পড়ায় এবং যানজটের কারণে আসতে পারেননি বলে দুঃখপ্রকাশ করেছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল বলেন, সরকারের কার্যকলাপে সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে আশঙ্কা আছে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকা নিয়ে তিনি বলেন, ‘ধরে রাখতে হবে। ওরা যেন না বলতে পারে যে সরে গেছে। এটা আমাদের অধিকার। আমরা কেন সরে যাব? শেষ পর্যন্ত যদি অসম্ভব করে দেয়, তখন মানুষ দেখবে।’

মির্জা ফখরুল

ওদিকে, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি ও তাদের জোট নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত থাকবে কি না, তা নির্ভর করছে নির্বাচন কমিশন বা ইসিরকর্মকাণ্ডের ওপর। এখনো পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের আচরণ পক্ষপাতদুষ্ট। ইসির আচরণ মোটেও নিরপেক্ষ নয়। এখনো যেটুকু সময় আছে, কমিশন চাইলে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে পারে।

আজ (বুধবার) সকালে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে বগুড়া ও রংপুরে যাওয়ার আগে উত্তরায় তাঁর বাসভবনের সামনে অপক্ষেমান সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, নির্বাচন পুরোপুরি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা মোটেও নিরপেক্ষ নয়। বিএনপি ও তাদের জোটের দলগুলো মনে করেছিল, সেনাবাহিনী মোতায়েনের পর পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হবে। নির্বাচনের পরিবেশ ফিরে আসবে। কিন্তু সেটা হয়নি। বরং এর মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, পাবনায় বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমানের ওপর হামলা হয়েছে। যেভাবে সহিংসতা হচ্ছে, বিরোধীদের প্রচারে বাধা দেওয়া হচ্ছে, তা সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে মোটেও সহায়ক নয়।

মির্জা ফখরুলের কাছে সাংবাদিকেরা জানতে চান, পরিস্থিতিতে বিএনপি ও তাদের জোট কি নির্বাচন থেকে সরে যাবে কী না ? এর জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, তারা নির্বাচনে থাকবেন কি না, তা নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার ওপর নির্ভর করবে। ইসি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সার্বিক নির্বাচনের পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনা করে দল ও জোটের ফোরামে আলোচনা করে পরে কী হবে, সে সিদ্ধান্ত নেবেন তাঁরা।#

পার্সটুডে/আব্দুর রহমান খান/বাবুল আখতার/২৬