সুষ্ঠু ডাকসু নির্বাচন রাজনীতির প্রতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আগ্রহ সৃষ্টি করবে: মির্জা ফখরুল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i68735-সুষ্ঠু_ডাকসু_নির্বাচন_রাজনীতির_প্রতি_ভবিষ্যৎ_প্রজন্মের_আগ্রহ_সৃষ্টি_করবে_মির্জা_ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২৮ বছর ডাকসু নির্বাচন হয়নি। এতে রাজনৈতিক নেতৃত্ব সৃষ্টির কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। রাজনীতির প্রতি কিছুটা অনীহা সৃষ্টি হয়েছিল নতুন প্রজন্মের। এখন ডাকসু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাজনীতির প্রতি তাদের আগ্রহ সৃষ্টি করবে।
(last modified 2026-02-17T14:37:08+00:00 )
মার্চ ১০, ২০১৯ ১৬:৩৬ Asia/Dhaka
  • বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২৮ বছর ডাকসু নির্বাচন হয়নি। এতে রাজনৈতিক নেতৃত্ব সৃষ্টির কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। রাজনীতির প্রতি কিছুটা অনীহা সৃষ্টি হয়েছিল নতুন প্রজন্মের। এখন ডাকসু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাজনীতির প্রতি তাদের আগ্রহ সৃষ্টি করবে।

আজ (রোববার) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনে কোনও সংগঠন জিতবে আর কারা হারবে সেটা আমরা পরে বিবেচনা করবো। কিন্তু এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ছাত্র রাজনীতিতে একটি সুবাতাস বইবার সুযোগ হয়েছে। এটা মেইন্টেন করা গেলে রাষ্ট্র ও জাতির জন্য নিঃসন্দেহে একটি ভালো কাজ হবে। আমরা রাজনৈতিক নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে পারবো।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এমন সময় কৃষক দলের নতুন কমিটি হলো, যখন দেশে ভয়াবহ সংকট চলছে। এ সংকট শুধু বিএনপির নয়, গোটা জাতির। বন্য হাতির মতো বাংলাদেশে একটি দানব ঢুকে সমস্ত অর্জন ধ্বংস করে ফেলেছে। আমরা গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করেছি। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে রাষ্ট্র গঠন করেছি, সবকিছু এই দানব ধ্বংস করে ফেলেছে।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের এ অবস্থায় নিজেদের ছোটখাটো সমস্যাগুলো মিটিয়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। দলের চেয়ারপাসনকে মুক্ত করতে হবে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে দেশে ফিরিয়ে আনা আর দেশে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করে তা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বার বার বলছি, এই অনির্বাচিত, অবৈধ, অনৈতিক সরকার যদি সত্যিই সুন্দর পরিবেশ তৈরি করতে চায়, তাহলে অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আবার একটি নির্বাচন দিতে হবে। তা না হলে সব ধ্বংসের দায়-দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ভুয়া-মিথ্যা মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দেয়া হলো। নিম্ন আদালতের সেই সাজা বাড়িয়ে উচ্চ আদালত ১০ বছর করল। তিনি এখন অত্যন্ত অসুস্থ, বসতে পারেন না। তাকে বিছানা থেকে তুলতে একজন সাহায্যকারী দরকার। খালেদা জিয়ার প্রতি এ আচরণ মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।#

পার্সটুডে/ শামস মন্ডল/বাবুল আখতার/১০