মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নিলেন
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান
-
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার কিছুক্ষণ আগে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁকে শপথ পড়ান। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই শপথ অনুষ্ঠান হয়।
মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নিলেন
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ শেষে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা। তাঁদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁকে শপথ পড়ান।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু), মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন।
২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সরকারে ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। ২০ বছর পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়ে সরকার গঠন করেছে দলটি। বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় আছেন ৫০ জন। এর মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। টেকনোক্র্যাট তিনজন।
এবারের মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ আছে অনেক, যারা আগে কখনও মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হননি। প্রথমবার নির্বাচিত হয়েই মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নেওয়া নেতাও আছেন।
মন্ত্রীদের ২৫ জনের মধ্যে ১৭ জনই নতুন মুখ। প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে ২৪ জনই নতুন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এবারই প্রথম মন্ত্রিসভার সদস্য হচ্ছেন।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন প্রতিমন্ত্রীরা। তাঁদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
এর আগে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারপর শপথগ্রহণ করেন মন্ত্রীরা।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যাঁরা শপথ নিলেন (ছবি সংগৃহীত)
পৃথকভাবে তাঁদের সবাইকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
এর মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হলো। প্রায় দুই যুগ পর যাত্রা শুরু হলো বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারেরও।
গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ২০৯ আসনে জয়ী হয়। বিএনপি জোটের শরিকেরা ৩টি আসন পায়।
কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৫ জন সংসদ সদস্য মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
প্রধানমন্ত্রীর পর পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া ২৫ জন হলেন—মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়), আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (অর্থ মন্ত্রণালয়; পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়), সালাহউদ্দিন আহমদ (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু (বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়), হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়), এ জেড এম জাহিদ হোসেন (মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়), খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট-পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), আবদুল আউয়াল মিন্টু (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়), কাজী শাহ মোফাজ্জলহোসেন কায়কোবাদ (ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়), মিজানুর রহমান মিনু (ভূমি মন্ত্রণালয়), নিতাই রায় চৌধুরী (সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়), খন্দকার আবদুল মুক্তাদির (বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; শিল্প মন্ত্রণালয়; বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়), আরিফুল হক চৌধুরী (শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়), জহির উদ্দিন স্বপন (তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়), আমিন উর রশিদ (টেকনোক্র্যাট- কৃষি মন্ত্রণালয়; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; খাদ্য মন্ত্রণালয়), আফরোজা খানম রিতা (বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়), শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি (পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়), আসাদুল হাবীব দুলু (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়), মো. আসাদুজ্জামান (আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়), জাকারিয়া তাহের সুমন (গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়), দীপেন দেওয়ান (পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়), আ ন ম এহসানুল হক মিলন (শিক্ষা মন্ত্রণালয়; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়), সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়), ফকির মাহবুব আনাম (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়), শেখ রবিউল আলম (সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়; রেলপথ মন্ত্রণালয়; নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়)।
কে কোন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৪ জন সংসদ সদস্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
প্রধানমন্ত্রীর পর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া ২৪ জন হলেন—এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত (বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়), অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়), শরীফুল আলম (বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; শিল্প মন্ত্রণালয়; বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়), শামা ওবায়েদ ইসলাম (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু (কৃষি মন্ত্রণালয়; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; খাদ্য মন্ত্রণালয়), ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (ভূমি মন্ত্রণালয়), ফরহাদ হোসেন আজাদ (পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়), মো. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট-যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষইয়ক মন্ত্রণালয়), মো. আব্দুল বারী (জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়), মীর শাহে আলম (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়), মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (অর্থ মন্ত্রণালয়; পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), ইশরাক হোসেন (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়), ফারজানা শারমিন পুতুল (মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়; সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়), শেখ ফরিদুল ইসলাম (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়), নুরুল হক নুর (শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়), ইয়াসের খান চৌধুরী (তথ্য ওসম্প্রচার মন্ত্রণালয়), এম ইকবাল হোসেন (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়), এম এ মুহিত (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়), আহমেদ সোহেল মঞ্জুর (গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়), ববি হাজ্জাজ (শিক্ষা মন্ত্রণালয়; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়), আলী নেওয়াজ খৈয়াম (সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়)।এছাড়া হাবিবুর রশিদ হাবিব ও রাজিব আহসানকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তবে কে কোন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হবেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়।#
পার্সটুডে/জিএআর/১৭