তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে জাবি ভিসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: ওবায়দুল কাদের
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i73731-তদন্তে_দোষী_প্রমাণিত_হলে_জাবি_ভিসির_বিরুদ্ধে_ব্যবস্থা_ওবায়দুল_কাদের
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নেতাদের চাঁদা দেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভিসি ড. ফারজানা ইসলাম তদন্তে দোষী প্রমাণ হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯ ১৩:০৭ Asia/Dhaka
  • সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের
    সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নেতাদের চাঁদা দেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভিসি ড. ফারজানা ইসলাম তদন্তে দোষী প্রমাণ হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। জাবি ভিসির পদত্যাগের দাবিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মির্জা ফখরুল তো সবার পদত্যাগ দাবি করছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করেছেন। তিনি নিজেই নিজের পদত্যাগ দাবি করেছেন। তিনি নির্বাচনে জিতেও পদত্যাগ করেছেন। আবার কথা রাখতে পারেননি, ওই শূন্য জায়গায় নিজেই আরেকজনকে মনোনয়ন দিয়ে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠিয়েছেন।’

সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন দাবি করেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে 'ঈদ সালামি' বাবদ এক কোটি টাকা দিয়েছেন। এর মধ্যে জাবি ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা নিয়েছেন ৫০ লাখ টাকা, সাধারণ সম্পাদক এসএম আবু সুফিয়ান চঞ্চল নিয়েছেন ২৫ লাখ টাকা আর তিনি (সাদ্দাম) নিয়েছেন ২৫ লাখ টাকা।

ড. ফারজানা ইসলাম

এর আগে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে অপসারিত হওয়া গোলাম রাব্বানী অভিযোগ করেন, জাবির উন্নয়ন প্রকল্পে বাধা হয়ে না দাঁড়ানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগকে ভিসি ফারজানা ইসলাম ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা দিয়েছেন।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর এমন বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এই অপরাধে ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদককে পদত্যাগ করতে হয়েছে।

একই অভিযোগ উঠেছে জাবির উপাচার্যের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটি পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমেছেন।

তবে  উপাচার্য ড. ফারজানা ইসলাম দাবি করেন, তিনি ছাত্রলীগ নেতাদের কোনো টাকা দেননি। বরং রাব্বানী ও ছাত্রলীগের বরখাস্ত হওয়া সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন তার কাছে কয়েক দফায় উন্নয়ন প্রকল্পের বাজেট থেকে ৪ থেকে ৬ শতাংশ টাকা 'ঈদ সালামি' দাবি করেন।#

 

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১৭

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন