বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে গেছেন, গুজব রটালে শাস্তি
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i78230-বাংলাদেশে_করোনায়_আক্রান্ত_একজন_সুস্থ_হয়ে_বাড়ি_চলে_গেছেন_গুজব_রটালে_শাস্তি
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তিনজনের মধ্যে একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।
(last modified 2026-05-09T13:18:37+00:00 )
মার্চ ১৩, ২০২০ ০৭:৫২ Asia/Dhaka
  • অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা (ডানে)
    অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা (ডানে)

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তিনজনের মধ্যে একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

আজ (শুক্রবার) সকাল সোয়া ১০টার দিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। এ সময় মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদসহ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি, ইউনিসেফের প্রতিনিধি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, তিনজনের মধ্যে দুইজন বাড়ি চলে যাওয়ার মতো অবস্থায় আছেন। কিন্তু একজনের বাড়িতে সমস্যার কারণে তিনি যেতে পারছেন না। এছাড়া, বাকি একজনের এখনও করোনা ভাইরাস নেগেটিভ আসেনি।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের উপসর্গ আছে এমন ১৮৭ জনের পরীক্ষা করে আগের তিনজন বাদে নতুন কারো শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ জনের পরীক্ষা করা হলে তাদের ফল নেগেটিভ এসেছে।

কোয়ারেন্টিন ও মিথ্যা রটনা নিয়ে সতর্ক করল সরকার

এদিকে, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় কোয়ারেন্টিনের শর্ত মেনে চলার পাশাপাশি মিথ্যা তথ্য দেওয়া বা গুজব রটিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সরকার।

এ ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে কেউ ‘সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন’ ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ওই আইনে সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দিলে বা নির্দেশনা না মানলে সর্বোচ্চ তিন মাসের জেল ও ৫০ হাজার টাকার শাস্তির বিধান রয়েছে।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) অধিদপ্তরের জারি করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “বিদেশ ফেরত কিছু প্রবাসী বা তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশিত ১৪ দিনের স্বেচ্ছা কোয়ারেন্টাইনের শর্ত ঠিকভাবে পালন করছেন না। অনেকেই মিথ্যা তথ্য ও গুজব রটিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট সকলকে বর্ণিত আইন অনুযায়ী এবং নির্দেশিত পন্থায় যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানাচ্ছে। ব্যত্যয়ের ক্ষেত্রে আইনের সংশ্লিষ্ট শাস্তিমূলক ধারা প্রয়োগ করা হবে।”

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত ওই গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণকে একটি ‘বৈশ্বিক মহামারি’ ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের চলমান প্রস্তুতি এর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। জনসাধারণের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নাই। তবু পরিবর্তনশীল বিশ্ব ও জাতীয় পরিস্থিতির আলোকে সর্বোচ্চ সতর্কতার অংশ হিসাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক ‘সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮’-এর কতিপয় ধারা প্রয়োগ করার প্রয়োজন হতে পারে।”#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।