করোনায় বাংলাদেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩১২
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i79193-করোনায়_বাংলাদেশে_আরও_৭_জনের_মৃত্যু_নতুন_শনাক্ত_৩১২
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৯১ জন। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৩১২ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৫৬ জনে।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
এপ্রিল ১৯, ২০২০ ১০:৫৫ Asia/Dhaka
  • স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক
    স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৯১ জন। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৩১২ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৫৬ জনে।

আজ (রোববার) দুপুর আড়াইটায় মহাখালীর ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এমআইএস) বিভাগের মিলনায়তনে ‘করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত ’অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে নিজ বাসা থেকে যুক্ত হয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২ হাজার ৬৩৪টি। মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ২৩ হাজার ৮২৫টি। নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৯ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৭৫ জন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত কয়েকদিনের অভিজ্ঞতায় আইসিউই’র ফলাফল ভালো পাওয়া যায়নি। মোট ৯ জনকে ভেন্টিলেটরে দেয়া হয়েছিল। তার মধ্যে আটজনই মারা গেছেন।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমরা যেভাবে আশা করেছিলাম সেইভাবে লকডাউন কাজ করছে না। কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বেড়ে গেছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা সকলে মিলে একযোগে কাজ করলে এই যুদ্ধে আমরাই জয়ী হব। এসময় তিনি আবারও সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানান।

এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় তিনজনের ও নারায়ণগঞ্জে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ৬৬ ভাগ পুরুষ ও ৩৪ ভাগ নারী রয়েছে। অন্যদিকে, আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ৪৪ ভাগ, নারায়ণগঞ্জে ৩১ ভাগ ও অন্য জেলায় বাকি ২৫ ভাগ রোগী রয়েছে।

নাসিমা সুলতানা আরো বলেন, নতুন আক্রান্তের মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে রোগী রয়েছে ২৩ দশমিক ৪ ভাগ ও ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে রয়েছে ২২ দশমিক ৩ ভাগ এবং বাকি ৫৪ দশমিক ৩ ভাগ অন্য বয়সের।

এরআগে, গতকাল (শনিবার) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নয়জনের মৃত্যু হয়। শুক্রবার মারা যান ১৫ জন। 

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর এর প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকায় জনসাধারণের চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ করে সরকার। বন্ধ ঘোষণা করা হয় সরাকরি-বেসরকারি সব অফিস। সাধারণ ছুটি কয়েক দফায় বাড়িয়ে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৯