ফেনী নদীর উপর বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i88444-ফেনী_নদীর_উপর_বাংলাদেশ_ভারত_মৈত্রী_সেতুর_উদ্বোধন
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দিল্লি থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ফেনী নদীর উপর নির্মিত বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু আজ মঙ্গলবার (৯ মার্চ) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
মার্চ ০৯, ২০২১ ১৪:৩১ Asia/Dhaka
  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দিল্লি থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে সেতু উদ্বোধন করেন।
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দিল্লি থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে সেতু উদ্বোধন করেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দিল্লি থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ফেনী নদীর উপর নির্মিত বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু আজ মঙ্গলবার (৯ মার্চ) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করে বলেছেন, এ মৈত্রীসেতু ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে শুধু বন্ধুত্বের বন্ধন নয় বরং দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে বাড়াতেও অগ্রণী ভূমিকা রাখবে ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,‘এই সেতু দিয়ে ত্রিপুরার সাবরুমের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হল বাংলাদেশের খাগড়াছড়ির রামগড়। শুধু তাই নয়, চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গেও সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হলো ত্রিপুরার। মৈত্রী সেতুটি এই অঞ্চলের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এসময় ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ভুলিনি, আপনারা কীভাবে ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করেছিলেন এবং আশ্রয় দিয়েছিলেন। আমরা ভারতকে সবসময়ই যথাসম্ভব সহায়তা করবো।

উল্লেখ্য, গত ১৩ জানুয়ারি এ সেতুর কাজ পুরোপুরি শেষ হয়। এ সেতুর মোট পিলার ১২টি। এরমধ্যে, বাংলাদেশ অংশে নির্মাণ ৮ টি ও ভারতের অংশে ৪টি। সেতু থেকে ২৪০ মিটার এপ্রোচ রোড নির্মাণ করে রামগড়-চট্টগ্রাম প্রধান সড়কে সঙ্গে এবং ওপারে সেতু থেকে প্রায় ১২০০ মিটার এপ্রোচ রাস্তা নবীনপাড়া-ঠাকুরপল্লী হয়ে সাব্রুম-আগরতলা জাতীয় সড়কে যুক্ত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের দুই লেনের এ সেতুর দুপাশে রয়েছে ফুটওয়ে।

২০১০ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লি সফরকালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এর সঙ্গে বৈঠকে রামগড়- সাব্রুম স্থলবন্দর চালুর যৌথ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফেনী নদীতে নির্মাণাধীন ‘বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১’ নামে সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তরের ফলক উন্মোচন করেন।#

পার্সটুডে/আব্দুুর রহমান খান/বাবুল আখতার/৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।