করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে শিশুদের আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেড়েছে
বাংলাদেশে করোনায় আরও ৯৪ প্রাণহানি; মোট মৃত্যু ১০হাজার ৮১
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৮১ জনে।
নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ১৯২জন। এতে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৭ হাজার ৩৬২ জনে।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে আরও জানানো হয়, ২৫৭টি পরীক্ষাগারে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮হাজার ৭৭০টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৯হাজার ৯৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫১লাখ ১৫হাজার ৫৭২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।
২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ৪৩শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৮১ জনে। আর মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ৭ লাখ ৭ হাজার ৩৬২ জন। এক দিনে ৫ হাজার ৯১৫ জনসহ সব মিলিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫ লাখ ৯৭ হাজার ২১৪ জন।
এদিকে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে শিশুদের আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেড়েছে। ঢাকা শিশু হাসপাতালে গত একমাসে ৩৭৬টি বিভিন্ন বয়সী শিশুকে পরীক্ষা করে ৬০ জনের শরীরে সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এসব রোগীর বয়স ২১ দিন থেকে ১৮ বছরের মধ্যে।
গত ১৩ এপ্রিল ঢাকা শিশু হাসপাতালে চিকিৎসারত এক শিশু মারা যায়। দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর এ পর্যন্ত হাসপাতালটিতে ২৫টি করোনা আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এ হাসপাতালের কোভিড-১৯ আক্রান্ত শিশুর চিকিৎসায় নির্ধারিত ২০টি শয্যার মধ্যে ১৬টিতে রোগী ভর্তি রয়েছে। জরুরি (ইমার্জেন্সি) অবস্থায় ব্যবহারের জন্য খালি রাখা হয়েছে চারটি শয্যা।
ঢাকা শিশু হাসপাতালে ১৫ দিন থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশুদের কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হয়। আগে এ হাসপাতালে মোট পরীক্ষার ১ শতাংশ সংক্রমণ শনাক্ত হতো। সম্প্রতি তা ১০ শতাংশে পৌঁছেছে। #
পার্সটুডে/এআরকে/১৫