রিজার্ভ চুরির ঘটনা ঢাকতেই আসলাম চৌধুরীকে গ্রেফতার: রিজভী
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i9559-রিজার্ভ_চুরির_ঘটনা_ঢাকতেই_আসলাম_চৌধুরীকে_গ্রেফতার_রিজভী
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের অ্যাকাউন্টে আড়াই হাজার কোটি টাকা পাওয়ার ঘটনা ঢাকতেই সরকার বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব আসলাম চৌধুরীকে গ্রেফতারের মাধ্যমে নাটক করছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
মে ১৭, ২০১৬ ০৮:৪৬ Asia/Dhaka
  • অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ
    অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের অ্যাকাউন্টে আড়াই হাজার কোটি টাকা পাওয়ার ঘটনা ঢাকতেই সরকার বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব আসলাম চৌধুরীকে গ্রেফতারের মাধ্যমে নাটক করছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

আজ (মঙ্গলবার) বেলা সোয়া ১১টার পর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াসহ নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও কারাগারে প্রেরণের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের কথিত এজেন্টের সঙ্গে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর গোপন বৈঠক ও সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের খবর ছড়ানোর বিষয়ে রিজভী বলেন, সরকার পতনের শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছেছে। এখন কোনো ইস্যু তৈরি করে ঠেকানো যায় কিনা সে চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির যে ঘটনা ঘটেছে এবং জয়ের অ্যাকাউন্টে যে আড়াই হাজার কোটি টাকা ‍পাওয়া গেছে তা ঢাকতেই সরকার আসলাম চৌধুরীকে গ্রেফতার করে এমন নাটক বানিয়েছে।

বিএনপির এ নেতা বলেন, ইসরায়েলি ওই নাগরিক ব্যবসায়ী। তাকে ভারতই আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তার সঙ্গে আসলাম চৌধুরীও একজন ব্যবসায়ী হিসেবে কথা বলেছেন। এরমধ্যে দোষ কোথায়?

রিজভী দাবি করেন, জনগণের দৃষ্টিকে ভিন্ন খাতে নিতেই সরকার আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে মোসাদের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ এনে তাকে গ্রেফতার করেছে।

সরকারের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা গণতন্ত্রে অনুমোদিত বিষয়। কিন্তু বর্তমান ভোটারবিহীন সরকার তাদের বিরোধিতার কথা শুনলেই চমকে উঠে। কারণ যেহেতু তারা জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত নয়, সেজন্য সমালোচনা শুনলেই দিশেহারা হয়ে পড়েন।

তিনি বলেন, “সরকারের ঘৃণ্য চক্রান্তেই ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার মতো একজন খ্যাতিমান আইনজীবীকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া সত্যভাষী নির্ভীক একজন জননেতা। সরকারের বিভিন্ন অনাচার আর অপকীর্তির বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া রোষাণলে পড়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দেয়া হয়েছে অসংখ্য মিথ্যা মামলা, যা সম্পূর্ণরুপে চক্রান্তমূলক। দেশের কোন মানুষই বিশ্বাস করে না ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার মতো একজন প্রবীণ আইনজীবী নাশকতামূলক কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে পারেন।”

রিজভীয় বিএনপি’র পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় কারাগারের প্রেরণের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং অবিলম্বে তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি করেন।#