নির্বাচনী অবস্থার পরিবর্তনের জন্য দরকার রাজনৈতিক সমঝোতা: মাহবুব তালুকদার
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i97708-নির্বাচনী_অবস্থার_পরিবর্তনের_জন্য_দরকার_রাজনৈতিক_সমঝোতা_মাহবুব_তালুকদার
ঢাকা ( ২২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে এক সপ্তাহ দায়িত্ব পালন শেষে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার আজ বলেছেন, রাজনৈতিক সমঝোতা ছাড়া নির্বাচন নিয়ে চলমান অবস্থার পরিবর্তন সম্ভব না।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১ ১৫:২৮ Asia/Dhaka
  • নির্বাচনী অবস্থার পরিবর্তনের জন্য দরকার রাজনৈতিক সমঝোতা: মাহবুব তালুকদার

ঢাকা ( ২২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে এক সপ্তাহ দায়িত্ব পালন শেষে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার আজ বলেছেন, রাজনৈতিক সমঝোতা ছাড়া নির্বাচন নিয়ে চলমান অবস্থার পরিবর্তন সম্ভব না।

আজ বুধবার নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে মাহবুব তালুকদার বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের জন্য নির্বাচনে বহুদলের অংশগ্রহণ একান্ত প্রয়োজন। প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচনের কারণ বিশ্লেষণ করে সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ অনিবার্য। ভোটারদের নির্বাচন বিমুখতাও গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত।

 তিনি বলেন, এই সব কিছুর সঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়া ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনা জড়িত। এই অবস্থা থেকে উত্তরণ সার্বিকভাবে নির্বাচন কমিশনের ওপর নির্ভর করে না। রাজনৈতিক সমঝোতা ছাড়া এই অবস্থার পরিবর্তন সম্ভব নয়।

মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘গত ১৫ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে’ মিডিয়াসহ সংশ্লিষ্ট সকলের নীরবতা আমাকে হতাশ করেছে। মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, আমরা কি গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় শামিল হতে অনীহা প্রকাশ করছি?’

মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬ দিনের জন্য আমি ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করি। কয়েকজন সাংবাদিক ওই সময়ে অনুষ্ঠিত ১৬০টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ও ৯টি পৌরসভা নির্বাচনে আমার সাফল্য ও ব্যর্থতা জানতে চান। এহেন সংক্ষিপ্ত সময়ে আকস্মিকভাবে নির্বাচনী ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন সাধন সম্ভব নয়। তারপরও কিছু কথা থেকে যায়। নির্বাচনে তিনজনের প্রাণহানি ঘটেছে। এটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে ওই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমার দায়িত্ব পালনকালে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আইনানুগভাবে দায়িত্বপালনের জন্য বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছিল। যে সব স্থানে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে, এর জন্য যারা দায়ী, প্রমাণ সাপেক্ষে তাদের আটক করা হয়েছে। যারা অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে মহড়া দিয়েছে, ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদেরও আটক করা হয়েছে। অধিকতর তদন্ত করে আরও অনেককে আইনের আওতায় আনা হবে। সহিংসতা রোধ কাউকে ছাড় দেওয়া হয়নি এবং হবে না। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে একজন সংসদ সদস্যকে সতর্কবার্তা পর্যন্ত পাঠানো  হয়েছে।’#

 

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/বাবুল আখতার/২২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।