তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুত এগোবে: চীনা রাষ্ট্রদূত
https://parstoday.ir/bn/news/event-i160970-তিস্তা_প্রকল্প_বাংলাদেশ_যত_দ্রুত_চাইবে_চীন_তত_দ্রুত_এগোবে_চীনা_রাষ্ট্রদূত
ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানিয়েছেন, তিস্তা নদী প্রকল্পটি বাংলাদেশের নিজস্ব প্রকল্প। তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুতই এগোবে। 
(last modified 2026-07-02T12:14:24+00:00 )
জুলাই ০২, ২০২৬ ১৮:০৯ Asia/Dhaka
  • সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন
    সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন

ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানিয়েছেন, তিস্তা নদী প্রকল্পটি বাংলাদেশের নিজস্ব প্রকল্প। তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুতই এগোবে। 

আজ (বৃহস্পতিবার) চীনা দূতাবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ঢাকার চীনা দূতাবাস।

তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে ভারতের উদ্বেগ থাকতে পারে, এমন প্রশ্নের উত্তরে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, "তিস্তা নদী প্রকল্পটি বাংলাদেশের নিজস্ব প্রকল্প। এটি আপনাদেরই প্রকল্প। এখানে চীনের সহযোগিতা বা এন্টারপ্রাইজের বিষয়টি বাংলাদেশ পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বা লাভজনক হিসেবেই বিবেচনা করবে। এটি মূলত মানুষের জীবনমান উন্নয়নের একটি সহযোগিতা, যার সঙ্গে এই নদীর অববাহিকায় বসবাসকারী ১০ লাখেরও বেশি মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িয়ে আছে। মূলত এই উদ্দেশ্যেই চীন সহায়তা দিতে আগ্রহী; কারণ এটি বাংলাদেশের মানুষের, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের মানুষের একটি বড় প্রয়োজন।"

ইয়াও ওয়েন বলেন, তিস্তা ইস্যুতে চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। এ ছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) উন্নয়ন সহায়তায় চীনের সহযোগিতা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই।

তিনি বলেন, "আমাদের কেন একটি নিখুঁত ও কার্যকর সম্ভাব্যতা যাচাই প্রয়োজন? আপনারা জানেন, নদীর অববাহিকায় বেশ কিছু জটিল পরিস্থিতি রয়েছে। তাই এই প্রকল্প শুরু করার আগে আমাদের এই সম্ভাব্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। আমাদের দিক থেকে এটাই হলো মূল উদ্দেশ্য। আপনি অন্যান্য যেসব উপাদানের কথা উল্লেখ করেছেন, সেগুলো আমাদের বিবেচনায় নেই। বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুতই এগোবে। এটাই আমাদের অবস্থান।"

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর অত্যন্ত সফল। এ সফরে দুই দেশের কৌশলগত পর্যায়ে সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আস্থার এক নতুন স্তর তৈরি হয়েছে।

গত ২২ জুন থেকে ২৬ জুন চীন সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে 'অভূতপূর্ব সাফল্য' হিসেবে উল্লেখ করে আনা একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব শনিবার বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে।#

পার্সটুডে/এমএআর/২