বিজেপির বিভাজনের রাজনীতির মেরুদণ্ড বেঁকিয়ে দিয়েছেন মমতা
https://parstoday.ir/bn/news/india-i101640-বিজেপির_বিভাজনের_রাজনীতির_মেরুদণ্ড_বেঁকিয়ে_দিয়েছেন_মমতা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূলের সিনিয়র নেতা ব্রাত্য বসু হিন্দুত্ববাদী বিজেপিকে টার্গেট বলেছেন, ‘২০২১ সালের নির্বাচনে বিজেপির বিভাজনের রাজনীতির মেরুদণ্ডকে বেঁকিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’। তিনি আজ (শুক্রবার) কোলকাতায় এক সংবাদ সম্মেলনে ওই মন্তব্য করেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ডিসেম্বর ২৪, ২০২১ ১৩:৩৮ Asia/Dhaka
  • বিজেপির বিভাজনের রাজনীতির মেরুদণ্ড বেঁকিয়ে দিয়েছেন মমতা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূলের সিনিয়র নেতা ব্রাত্য বসু হিন্দুত্ববাদী বিজেপিকে টার্গেট বলেছেন, ‘২০২১ সালের নির্বাচনে বিজেপির বিভাজনের রাজনীতির মেরুদণ্ডকে বেঁকিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’। তিনি আজ (শুক্রবার) কোলকাতায় এক সংবাদ সম্মেলনে ওই মন্তব্য করেন।

কোলকাতায় গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ)-এর সাবেক চেয়ারম্যান বিনয় তামাং ও গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সাবেক বিধায়ক রোহিত শর্মা তৃণমূলে যোগ দেন। ওই কর্মসূচিতে রাজ্যের দুই মন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং মলয় ঘটক তাদের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন।

সংবাদ সম্মেলনে ব্রাত্য বসু বলেন, ‘বিজেপি বিভাজনের রাজনীতি করতে অভ্যস্থ। বিজেপি পাহাড় ও সমতলের মধ্যে বিভাজন ঘটাতে চায়। বিজেপি সংখ্যাগুরু এবং সংখ্যালঘুদের মধ্যে বিভাজন ঘটাতে চায়। সংখ্যাগুরুর মধ্যে বিভিন্ন যে বর্ণ আছে সেই বর্ণের বিভিন্ন স্তরের মধ্যে বিভাজন ঘটাতে চায়। নারী এবং পুরুষের মধ্যে বিভাজন ঘটাতে চায়। অর্থাৎ, বিভাজনই হচ্ছে বিজেপির রাজনীতির মূল মেরুদণ্ড।

২০২১ সালের নির্বাচনে এই মেরুদণ্ডকে বেঁকিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে এখন এই যে সমতল ও পাহাড়ের মধ্যে একটা কাল্পনিক বিরোধ তা ঐতিহাসিকভাবে অমূলক। কেননা আমরা দেখব যে দার্জিলিং শহরটা ব্রিটিশরা তৈরি করেছিলেন ঠিকই কিন্তু তার বহু আগে থেকেই দার্জিলিং শহর বা দার্জিলিং এলাকায় বাঙালি এবং গোর্খাভাষীরা শান্তি ও সম্প্রীতির সঙ্গে ওখানে বসবাস করেছেন, একসঙ্গে বাণিজ্য করেছেন। বরাবরই একটা সম্প্রীতির ভাব ছিল। পাহাড়ের মানুষজন বুঝতে পারছেন যে, যদি তাদের কেউ ভালো চেয়ে থাকেন তাহলে তার নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’   

তৃণমূলে যোগ দিয়ে বিনয় তামাং বলেন, ‘আমি গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা ত্যাগ করার পরে তৃণমূলের সঙ্গে আমার যোগাযোগ ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছি। তাঁকে জাতীয় রাজনীতিতে, প্রধানমন্ত্রীর পদপ্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই।’     

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মূল বিরোধী বিজেপি এবং তার শরিকরা। বার বার তারা আমাদের পৃথক গোর্খাল্যান্ডের ললিপপ দেখিয়েছে। পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দরকার নেই। দরকার পাহাড়ের প্রকৃত উন্নয়নের। আমরা বুঝতে পেরেছি, একমাত্র তৃণমূলের সঙ্গে থাকলেই আমাদের কাঙ্খিত উন্নয়ন সম্ভব।’

অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে এই দু’জন তৃণমূলে যোগ দিলেন। পাহাড়ের উন্নয়নই এঁদের লক্ষ্য।’ সামনেই ‘জিটিএ’র নির্বাচন, তার আগে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সাবেক চেয়ারম্যান বিনয় তামাং ও সাবেক বিধায়ক রোহিত শর্মার তৃণমূলে যোগদান তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।#  

পার্সটুডে/এমএএইচ/ বাবুল আখতার/২৪

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।