জম্মু-কাশ্মীরে পৃথক গ্রেনেড হামলায় পুলিশের মৃত্যু, আহত ‘সিআরপিএফ’ কর্মকর্তা
জম্মু-কাশ্মীরে পৃথক দু’টি ক্ষেত্রে গ্রেনেড হামলায় একজন পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে এবং আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফের এক জওয়ান আহত হয়েছেন।
গতকাল (শনিবার) রাতে দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাম জেলার কাইমোহে গ্রেনেড হামলায় তাহির খান নামে এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। আজ (রোববার) কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসী হামলায় পুঞ্চের মেনধারের বাসিন্দা তাহির খান নামে এক পুলিশ সদস্য আহত হলে তাকে অনন্তনাগের জিএমসি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি মারা যান।
অন্যদিকে, গতকাল সন্ধ্যায় জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফের একটি বাঙ্কারে অজ্ঞাত গেরিলারা গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। শ্রীনগরের আলী মসজিদ ঈদগাহ এলাকার ওই হামলায় পারভেজ রাণা নামে সিআরপিএফের এক কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। তিনি সিআরপিএফের ১৬১ ব্যাটেলিয়নের সাব ইন্সপেক্টর। পুলিশ জানায়, হামলার পর সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট এলাকা ঘেরাও করে হামলাকারীদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, সন্ত্রাসীরা সিআরপিএফ বাঙ্কারে একটি গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে এটি রাস্তার ধারে একটি বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। ওই ঘটনায় সিআরপিএফের ১৬১ ব্যাটেলিয়ানের জওয়ান পারভেজ রাণা স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হয়েছেন। তাকে পরবর্তী চিকিৎসার জন্য এসএমএইচএস হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।
গত ১১ আগস্ট নিরাপত্তা বাহিনী জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরি জেলার পারগলে উরি হামলার মতো ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে। এখানে অজ্ঞাত গেরিলারা সেনা ক্যাম্পে ঢোকার চেষ্টা করে। এর পরেই পাল্টা গুলি চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। এতে হামলাকারী দুই গেরিলার মৃত্যু হয়। উভয়পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি গুলিবর্ষণের মধ্যে কর্মকর্তাসহ সেনাবাহিনীর চার সদস্য সুবেদার রাজেন্দ্র প্রসাদ, রাইফেলম্যান মনোজ কুমার, রাইফেলম্যান লক্ষ্মণন ডি, এবং রাইফেলম্যান নিশান্ত মালিক নিহত হন। ভয়াবহ ওই হামলার ঘটনায় ৪ জওয়ান আহত হয়েছিলেন।#
পার্সটুডে/এমএএইচ/এমবিএ/১৪
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।