'উত্তরাখণ্ডে ভেঙে ফেলা হবে সব অবৈধ মাজার, ‘ল্যান্ড জিহাদ’ চলবে না'
পুষ্কর সিং ধামিভারতের উত্তরাখণ্ডে অবৈধ মাজার ভেঙে ফেলার ঘোষণা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। গতকাল (শুক্রবার) মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেবভূমি উত্তরাখণ্ডে অবৈধ মাজারগুলো ভেঙে ফেলা হবে। তিনি ওই ঘটনাকে ‘ল্যান্ড জিহাদ’ অভিহিত করে রাজ্যে ল্যান্ড জিহাদ চলবে না বলে মন্তব্য করেছেন।
উত্তরাখণ্ডে এ পর্যন্ত এক হাজারেরও বেশি মাজার চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলো অবৈধভাবে বন বিভাগ বা সরকারের অন্যান্য জমি দখল করে তৈরি করা হয়েছিল বলে দাবি। এবং এরই মধ্যে ১০২টি মাজার সরকারের পক্ষ থেকে ভেঙে ফেলা হয়েছে। এসব মাজারে মৃত ব্যক্তির দেহাবশেষ নেই বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিজেপি নেতা ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি বলেন, আমরা দখলদারদের নিজেদের দখল সরিয়ে নিতে বলেছি, অন্যথায় সরকার তাদের সরিয়ে দেবে। তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি যে দখল বন বিভাগের জমিতে হোক বা গণপূর্ত দফতর বা রাজস্ব দফতরের জমিতে হোক না কেন, তা সেসব লোকদেরই সরিয়ে নিতে হবে। উত্তরাখণ্ডের মধ্যে এই ‘ল্যান্ড জিহাদ’ চলবে না।’
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, এগুলো কোনো পীর বাবাদের মাজার নয়, বরং মাজার জিহাদের একটি অংশ। প্রসঙ্গত, গত বছর নভেম্বরে, রাজ্যে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি নেতৃত্বাধীন ধামি সরকার রাজ্যে ধর্মান্তর বিরোধী আইনকে আরও কঠোর করেছে এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণের দোষীদের জন্য ১০ বছর পর্যন্ত শাস্তির কঠোর বিধান কার্যকর করেছে। উত্তরাখণ্ড ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনে জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণে দোষী প্রমাণিত হলে কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ছাড়াও সর্বনিম্ন তিন বছর থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে। এছাড়া দোষী অপরাধকারী ব্যক্তিকে কমপক্ষে পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেওয়া হবে। #
পার্সটুডে/এমএএইচ/০৮
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।