মণিপুর জ্বলছে, কত মানুষ আজ পর্যন্ত মারা গেছে, আমরা জানি না: মমতা
https://parstoday.ir/bn/news/india-i122946-মণিপুর_জ্বলছে_কত_মানুষ_আজ_পর্যন্ত_মারা_গেছে_আমরা_জানি_না_মমতা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অশান্ত মণিপুর রাজ্যের পরিস্থিতি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, আমিও যেমন চিন্তিত, আমাদের অফিসাররাও চিন্তিত, আপনারাও চিন্তিত মণিপুর ইস্যু নিয়ে। মণিপুর জ্বলছে, কত মানুষ আজ পর্যন্ত দেখামাত্র গুলিতে মারা গেছে এবং গণ্ডগোলে মারা গেছে, আমরা জানি না।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
মে ০৮, ২০২৩ ১৩:৫৮ Asia/Dhaka
  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অশান্ত মণিপুর রাজ্যের পরিস্থিতি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, আমিও যেমন চিন্তিত, আমাদের অফিসাররাও চিন্তিত, আপনারাও চিন্তিত মণিপুর ইস্যু নিয়ে। মণিপুর জ্বলছে, কত মানুষ আজ পর্যন্ত দেখামাত্র গুলিতে মারা গেছে এবং গণ্ডগোলে মারা গেছে, আমরা জানি না।

তিনি আজ (সোমবার) রাজ্য সচিবালয় নবান্নে এক সংবাদ সম্মেলনে ওই মন্তব্য করেন। মমতা নিহতের সংখ্যা প্রসঙ্গে বলেন, ‘সংখ্যা সম্পর্কে সরকার থেকে স্পষ্ট কিছু বলা হচ্ছে না।  কিছুদিন আগে আমি জানতে পেরেছিলাম সংখ্যাটা ৬০/৭০। কিন্তু এখন সংখ্যাটা বলছে না। ’ কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারকে নিশানা করে মমতা বলেন, ‘আমাদের  এখানে (পশ্চিমবঙ্গে) কিছু হলে ১০ টা কেন্দ্রীয় টিম পাঠায়। ১৫১ টা কেন্দ্রীয় টিম পাঠায়। এবং নানারকম ভাবে ব্যতিব্যস্ত করে। যদিও এটা বিজেপিশাসিত রাজ্য, কিন্তু আমি রাজনীতি এখানে আনতে চাই না। কিন্তু মানুষ জানতে চায় কত জন মারা গেছে? কতজন মানুষ আহত আছে? কারণ, সংখ্যাটা কিন্তু বলা যাচ্ছে না, সংখ্যাটা অনেক হবে।’

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মণিপুর থেকে শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে আনার জন্য রাজ সচিবালয় ‘নবান্ন’তে বিশেষ কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে বলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, রাজনীতি আগে নাকি মানুষের জীবন, কোনটা গুরুত্বপূর্ণ? উত্তর-পূর্বের ওই  রাজ্য  জ্বলছে, আমরা উদ্বিগ্ন। মণিপুরের ঘটনা ম্যান মেড প্রবলেম। বাংলাতেও একই ভাবে সমস্যা তৈরির চেষ্টা চলছে।

প্রসঙ্গত, মণিপুরের ‘মেইতেই’ সম্প্রদায়কে তফসিলি উপজাতি বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করার দাবির বিরোধিতা করে গত ৩ মে একটি বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন মণিপুর  আয়োজিত 'উপজাতি সংহতি মার্চ'-এর পরে রাজ্যে উপজাতি ও অ-উপজাতির মধ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। 

মণিপুরের জনসংখ্যার ৬৪ শতাংশ মেইতেই সম্প্রদায়ের। কিন্তু তারা রাজ্যের মাত্র ১০ শতাংশ এলাকার বাসিন্দা। কারণ, আদিবাসীদের জন্য সংরক্ষিত পাহাড়ি এলাকায় তাদের জমি কেনার অনুমতি নেই। তফসিলি উপজাতিভুক্ত হলে এই সমস্যা মিটতে পারে। কিন্তু সেই দাবির বিরোধিতায় সোচ্চার হয়েছে নাগা এবং কুকি উপজাতিরা। তার জেরেই রাজ্যটিতে ব্যাপক  সহিংসতা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে সেনা, আধাসেনা ও পুলিশ বাহিনীকে মাঠে নামানোর পাশাপাশি উত্তেজনাপূর্ণ এলাকাউ কারফিউ জারি করা হয়েছে। #

পার্সটুডে/এমএএইচ/এমআরএইচ/৮   

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।