গান্ধী পদবীধারীরা মুহাম্মদ আলি জিন্নাহর মুসলিম লিগের লক্ষ্য পূরণ করছে: হিমন্তবিশ্ব শর্মা
https://parstoday.ir/bn/news/india-i130692-গান্ধী_পদবীধারীরা_মুহাম্মদ_আলি_জিন্নাহর_মুসলিম_লিগের_লক্ষ্য_পূরণ_করছে_হিমন্তবিশ্ব_শর্মা
অসমের মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপির সিনিয়র নেতা হিমন্তবিশ্ব শর্মা ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসকে এবং নাম না করে কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীকে টার্গেট করে বলেছেন, গান্ধী পদবীধারীরা মুহাম্মদ আলি জিন্নাহর মুসলিম লিগের লক্ষ্য পূরণ করছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
নভেম্বর ১২, ২০২৩ ১৫:৫৯ Asia/Dhaka
  • হিমন্তবিশ্ব শর্মা
    হিমন্তবিশ্ব শর্মা

অসমের মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপির সিনিয়র নেতা হিমন্তবিশ্ব শর্মা ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসকে এবং নাম না করে কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীকে টার্গেট করে বলেছেন, গান্ধী পদবীধারীরা মুহাম্মদ আলি জিন্নাহর মুসলিম লিগের লক্ষ্য পূরণ করছে।

গতকাল (শনিবার) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি এ ধরণের মন্তব্য করেন। তেলেঙ্গানায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সংখ্যালঘুদের জন্য সংখ্যালঘু ঘোষণাপত্র প্রকাশ করায় বিজেপি নেতা হিমন্তবিশ্ব শর্মা কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন, কংগ্রেস ঘোষণা করেছে সব অনগ্রসর শ্রেণিকে সংরক্ষণের (শিক্ষা ও চাকরতিতে) সুবিধা দেওয়া হবে। সংখ্যালঘুরাও চাকরি, শিক্ষা ও সরকারি প্রকল্পে এই সুবিধা পাবেন। কংগ্রেস রাজ্যটিতে ক্ষমতায় এলে সংখ্যালঘুদের জন্য ৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করবে। হিমন্তবিশ্ব শর্মার মতে- এটা বিভেদ নীতি। কংগ্রেস একটা বিশেষ সম্প্রদায়ের ভোটের জন্য এত নীচেয়  নামতে পারে, এমনটা তিনি তার রাজনৈতিক জীবনে কখনও দেখেননি বলে মন্তব্য করেছেন। জনতার করের অর্থ দিয়ে কী এখন মোল্লা-মওলানাদের বেতন দেওয়া হবে এবং বিভেদমূলক শক্তিগুলোর তহবিল ভরবে? এই প্রশ্নও করেছেন বিজেপি নেতা ও মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা। 

প্রসঙ্গত, তেলেঙ্গানা বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কংগ্রেস দল যে ইশতেহার প্রকাশ করেছে তাতে সংখ্যালঘুদের জন্য বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইশতেহারে কংগ্রেস সংখ্যালঘুদের কল্যাণে বার্ষিক বাজেট বাড়িয়ে ৪ হাজার কোটি টাকা করার কথা বলেছে। রাজ্যের ইমাম, খাদিম, পাদ্রী, গ্রন্থিসহ বিভিন্ন ধর্মের পুরোহিতদের জন্য ১০ হাজার/১২ হাজার টাকা মাসিক সম্মানী দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এছাড়া, আব্দুল কালাম তোহফা-ই-তালিম প্রকল্পের অধীনে, মুসলিম, শিখ,  খ্রিস্টান এবং রাজ্যের অন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যুবকদের এম.ফিল এবং পিএইচডি অর্জনের জন্য ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের গৃহহীনদের ঘর তৈরির জন্য জায়গা এবং ৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে। সংখ্যালঘু ঘোষণাপত্রে উর্দু মাধ্যম শিক্ষকদের বিশেষ নিয়োগ ছাড়াও ‘তেলেঙ্গানা শিখ সংখ্যালঘু আর্থিক সংস্থা’ প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ওই ইস্যুতে ‘মিম’ বিধায়ক আকবরউদ্দিন ওয়াইসি কংগ্রেসকে নিশানা করে বলেছেন, তারা মুসলমানদের ভোটব্যাংকের জন্য ব্যবহার করেছে।  

এদিকে, বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনার মুখে কংগ্রেস নেতা জাফর জাভেদ সাফাইতে  বলেছেন, সংখ্যালঘুদের মধ্যে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ, কিন্তু খ্রিস্টান এবং শিখরাও এর আওতায় রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কোনো কারণ ছাড়াই প্রশ্ন উঠছে।  
রাজ্যটিতে আগামী  ৩০ নভেম্বর বিধানসভা নির্বাচন হবে। বর্তমানে,  কে চন্দ্রশেখর  রাওয়ের নেতৃত্বে রাজ্যে ভারত রাষ্ট্র সমিতি (বিআরএস) সরকার ক্ষমতায় রয়েছে।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এমআরএইচ/১২    

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন