কাশ্মিরে সেনা অভিযানে বাধা প্রদানকারীদের প্রতি সেনাপ্রধানের কঠোর হুঁশিয়ারি
https://parstoday.ir/bn/news/india-i33048-কাশ্মিরে_সেনা_অভিযানে_বাধা_প্রদানকারীদের_প্রতি_সেনাপ্রধানের_কঠোর_হুঁশিয়ারি
কাশ্মিরে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর সময় যারা নিরাপত্তা বাহিনীকে বাধা দেবে তাদের উদ্দেশে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। তিনি বলেছেন, এ ধরণের ব্যক্তিদের সন্ত্রাসবাদীদের লোক হিসেবে গণ্য করা হবে।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৭ ০৮:৪০ Asia/Dhaka
  • ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত
    ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত

কাশ্মিরে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর সময় যারা নিরাপত্তা বাহিনীকে বাধা দেবে তাদের উদ্দেশে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। তিনি বলেছেন, এ ধরণের ব্যক্তিদের সন্ত্রাসবাদীদের লোক হিসেবে গণ্য করা হবে।

বিপিন রাওয়াত আরও বলেন, ‘যারা সন্ত্রাসবাদ অব্যাহত রাখতে চায় এবং পাকিস্তানের পাশাপাশি আইএসআইএসের পতাকা ওড়াবে তাদেরকে দেশদ্রোহী হিসেবে বিবেচনা করা হবে, তাদের রেহাই দেয়া হবে না।’   

কাশ্মিরে সেনাবাহিনী ও গেরিলাদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত সেনা জওয়ানদের উদ্দেশে শ্রদ্ধা জানানোর সময় গতকাল (বুধবার) দিল্লিতে তিনি ওই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।  

সেনা অভিযান চালানোর সময় অনেক সময় তাদের লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ার ঘটনা ঘটে। সেই সুযোগে গেরিলারা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় অথবা গেরিলাদের অতর্কিত হামলায় সেনাকর্মীরা প্রাণ হারান।  

গত মঙ্গলবার বান্দিপোরা এবং হান্দওয়াড়া এলাকায় সেনা-গেরিলা সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তাসহ চার জওয়ান ও চার গেরিলা নিহত হয়। এ সময় সেনাবাহিনীকে সাধারণ মানুষের প্রবল প্রতিরোধে ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। 

কুলগামে গত রোববার নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে চার গেরিলা নিহত হয়। এ সময় সহিংস বিক্ষোভে দুই জন বেসামরিক ব্যক্তিও নিহত হয়।

মীরওয়াইজ ওমর ফারুক, সাইয়্যেদ আলী শাহ গিলানি ও মুহাম্মদ ইয়াসিন মালিক

ওই ঘটনার প্রতিবাদে হুররিয়াত কনফারেন্সের চেয়ারম্যান সাইয়্যেদ আলী শাহ গিলানি, মীরওয়াইজ ওমর ফারুক এবং জেকেএলএফ চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইয়াসিন মালিকের পক্ষ থেকে যৌথভাবে সোমবার কাশ্মির বনধের পাশপাশি গতকাল (বুধবার) কুলগাম চলো কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়। কিন্তু তার আগেই হুররিয়াত নেতা মীরওয়াইজ ওমর ফারুককে তার বাসায় গৃহবন্দি এবং জেকেএলএফ চেয়ারম্যান ইয়াসিন মালিককে পুলিশ আটক করে। বুধবার নিরাপত্তা বাহিনী ‘কুলগাম চলো’ কর্মসূচি ব্যর্থ করে দিয়েছে।

আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে নতুন করে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি বনধের ডাক দেয়াসহ জুমা নামাজ শেষে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে।   

এদিকে, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে দু’জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে ন্যাশনাল কনফারেন্স। তারা ওই ঘটনার নিরপেক্ষ এবং সময়ভিত্তিক তদন্ত দাবি করেছে। বিধায়ক আব্দুল মজিদ ভাট লারমির অভিযোগ, ‘নিরাপত্তা বাহিনী বলপ্রয়োগ করার ফলে দুই বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। ওই ঘটনায় সরকারকে দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে।’   

দলটির সাধারণ সম্পাদক আলী মুহাম্মদ সাগর এ নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছেন।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/১৬