ভারতে ৪৮ ঘণ্টার বনধ চলছে: বিক্ষিপ্ত সহিংসতা, পুলিশি ধরপাকড়
https://parstoday.ir/bn/news/india-i67186-ভারতে_৪৮_ঘণ্টার_বনধ_চলছে_বিক্ষিপ্ত_সহিংসতা_পুলিশি_ধরপাকড়
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে দশটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন সমন্বিত যৌথ ফেডারেশনের ডাকা বনধে বিভিন্ন রাজ্যে মিশ্র প্রভাব পড়েছে। ন্যূনতম মজুরি, সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্প, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বেসরকারিকরণ বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে আজ (মঙ্গলবার) সকাল থেকে ৪৮ ঘণ্টার বনধের সূচনা হয়েছে।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
জানুয়ারি ০৮, ২০১৯ ১২:৩৭ Asia/Dhaka
  • ভারতে ৪৮ ঘণ্টার বনধ চলছে: বিক্ষিপ্ত সহিংসতা, পুলিশি ধরপাকড়

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে দশটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন সমন্বিত যৌথ ফেডারেশনের ডাকা বনধে বিভিন্ন রাজ্যে মিশ্র প্রভাব পড়েছে। ন্যূনতম মজুরি, সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্প, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বেসরকারিকরণ বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে আজ (মঙ্গলবার) সকাল থেকে ৪৮ ঘণ্টার বনধের সূচনা হয়েছে।

আজ বন্ধের ফলে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে পুলিশ ও বনধ সমর্থকদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কোলকাতার যাদবপুরে সিপিএম নেতা ও যাদবপুরের বিধায়ক সুজন চক্রবর্তীসহ বেশ কয়েকজন বাম কর্মী-সমর্থককে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

মেদিনীপুর শহরে পুলিশ বনধ সমর্থকদের ওপরে লাঠিচার্জ করাসহ ছাত্রনেতা প্রসেনজিত মুদি ও অন্যদের গ্রেফতার করে। ঘাটালে গ্রেফতার হন ২২ বনধ সমর্থক। জলপাইগুড়িতে একশ’রও বেশি বনধ সমর্থককে পুলিশ গ্রেফতার করে। গড়িয়ায় বাসে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। বারাসতে পড়ুয়াভর্তি স্কুল বাসে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি চালককেও মারধর করার অভিযোগ উঠেছে।

আজ সকালে রাজ্যের বিভিন্ন স্টেশনে রেল অবরোধ ও সড়ক অবরোধ হয়। পরে রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়। পশ্চিমবঙ্গের দূর্গাপুর, যাদবপুর, শ্রীরামপুর, কল্যাণী, সাগরদিঘি, উত্তরপাড়াসহ বিভিন্ন স্টেশনে বনধ সমর্থকরা রেল অবরোধ করেন। পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলে বনধ সমর্থক সিপিএম ও বনধবিরোধী তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

বনধের ফলে পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা এবং কেরালাতে কিছু বিক্ষিপ্ত সহিংস ঘটনা ঘটেছে। বেঙ্গালুরুতে কেএসআরটিসি এবং বিএমটিসি বাস পরিসেবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উড়িষ্যার ভুবনেশ্বরে সড়ক অবরোধের ফলে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কে যাতায়াতে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। দিল্লিতে বনধের আংশিক প্রভাব পড়েছে।

সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বনধ সফল হয়েছে বলে দাবি করেছেন।

বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু বনধ বিরোধিতায় রাজ্য সরকারের সক্রিয়তায় ‘মোদি ভাই-দিদি ভাই’ একসঙ্গে আছেন বলে কটাক্ষ করেছেন।

পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যে উন্নয়ন চলছে তাঁকে ব্যাহত করার জন্যই এই কর্মনাশা বনধ। ওঁরা ওইদিকেই যাচ্ছেন। কারণ ওঁদের গণসংগঠনটা আর নেই। মানুষ বুঝতে পেরেছে কর্মহীনতা হলে কী হয়। উন্নয়নহীনতা হলে মানুষকে কি দুঃখ কষ্টের মধ্যে থাকতে হয়। ওঁরা বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটিয়ে বলবে বনধ সফল হয়েছে। মানুষ দেখছে সব জায়গায় হাজিরা ঠিক আছে।’#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/৮ 

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন