আফজাল গুরুর ফাঁসি কার্যকরের ষষ্ঠ বার্ষিকীতে কাশ্মিরে বনধ, জনজীবন বিপর্যস্ত
-
শ্রীনগরে সর্বাত্মক বনধ পালিত
আফজাল গুরুর ফাঁসি কার্যকরের ষষ্ঠ বার্ষিকীতে বনধের ফলে কাশ্মির উপত্যকায় জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আজ (শনিবার) বনধের ফলে দোকানপাট, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও গণপরিবহন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
২০০১ সালের ১৩ ডিসেম্বর ভারতীয় সংসদে হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আদালতে উত্তর কাশ্মিরের বাসিন্দা আফজাল গুরুকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তিহার জেলে ফাঁসিতে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় এবং সেখানেই তাঁকে দাফন করা হয়।
ওই ঘটনার প্রতিবাদে ও তাঁর লাশ ফেরত দেয়ার দাবিতে কাশ্মিরে সাইয়্যেদ আলী শাহ গিলানি, মীরওয়াইজ ওমর ফারুক, মুহাম্মদ ইয়াসিন মালিকের সমন্বিত যৌথ প্রতিরোধ নেতৃত্বের আহ্বানে বনধের ডাক দেয়া হয়।
আজ বনধকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক পদক্ষেপে শ্রীনগর, বারামুল্লা ও সোপোরের মতো বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তাজনিত কারণে বারামুল্লা ও বানিহালের মধ্যে রেল চলাচল স্থগিত রেখেছেন।
হুররিয়াত কনফারেন্সের একাংশের নেতা সাইয়্যেদ আলী শাহ গিলানিকে আগে থেকেই বহুদিন ধরে গৃহবন্দি রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, হুররিয়াত কনফারেন্সের অন্য একাংশের প্রধান মীরওয়াইজ ওমর ফারুককে গতকাল (শুক্রবার) সন্ধ্যায় তাঁর বাসভবনে গৃহবন্দি হয়। গোলযোগের আশঙ্কায় গতকাল রাতেই বেশ কয়েকজন জেকেএলএফ নেতা-কর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।#
পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/৯
খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন