জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ২ গেরিলা নিহত
ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে দুই গেরিলা নিহত হয়েছেন। আজ (সোমবার) ভোরে নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের উপরে আচমকা গুলিবর্ষণ করে। এসময় জওয়ানদের পাল্টা গুলিবর্ষণে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ২ গেরিলা নিহত হন।
নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানরা সোপিয়ান-তুর্কাওয়াঙ্গম সড়কের চেকপোস্টে একটি গাড়ি থামায়। এসময় গাড়ির মধ্যে থেকে গেরিলারা নিরাপত্তা বাহিনীকে টার্গেট করে গুলিবর্ষণ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন, চিত্রগাম এলাকার ওই ঘটনায় ফিরদৌস আহমদ ভাট ও তার সক্রিয় সহযোগী সাজিদ আহমেদ নামে দুই সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। উভয়ের বাড়িই জম্মু-কাশ্মিরের কুলগামে। এছাড়া অন্ধকারের সুযোগে এক সন্ত্রাসী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। পুলিশ রেকর্ড অনুযায়ী ফিরদৌস ভাট একজন তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। দু’জনের লাশ তাদের বৈধ উত্তরাধিকারীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে।
এদিকে, আজ দক্ষিণ কাশ্মিরের কুলগাম জেলার তারিগাম এলাকায় ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযানের প্রতিবাদে স্থানীয় বেসামরিক মানুষজন বিক্ষোভ প্রদর্শন করলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। এসময় প্রতিবাদী তরুণরা সড়কে নেমে পাথর নিক্ষেপ করায় নিরাপত্তা বাহিনী কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা চালায়।
কাশ্মিরে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে একশ’ একজন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে ২৩ জন বিদেশি। যদিও নিরাপত্তা বাহিনীর দুশ্চিন্তা এতে দূর হয়নি। কারণ, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীতে যোগ দেয়ার প্রবণতাও বেড়েছে। গতকাল রোববার কর্মকর্তারা বলেন, চলতি মার্চ থেকে ৫০ জন যুবক বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনে যুক্ত হয়েছে। সন্ত্রাস মোকাবিলা ও এজন্য কৌশল রচনায় যুক্ত কর্মকর্তারা মনে করছেন সন্ত্রাসবিরোধী নীতি পুনর্বিবেচনা করা উচিত। এছাড়া সন্ত্রাসবাদের খারাপ দিক বোঝানোর জন্য তাদের বাবা-মায়েদের সঙ্গে কথা বলা প্রয়োজন বলেও তারা মনে করছেন।#
পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।