পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে রাজনৈতিক সংঘর্ষে ৩ তৃণমূল সমর্থক নিহত
https://parstoday.ir/bn/news/india-i71231-পশ্চিমবঙ্গের_মুর্শিদাবাদে_রাজনৈতিক_সংঘর্ষে_৩_তৃণমূল_সমর্থক_নিহত
পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের ডোমকলে রাজনৈতিক সংঘর্ষে ৩ তৃণমূল সমর্থক নিহত হয়েছে। আজ (শনিবার) ডোমকলের কুচিয়ামোড়া গ্রামে ব্যাপক বোমাবাজি ও গুলিবর্ষণের মধ্যে সোহেল রানা (১৯), খাইরুদ্দিন শেখ (৫৫) ও রহিদুল শেখ (২৭) নিহত হয়। সোহেল রানা ও খাইরুদ্দিন একই পরিবারের সদস্য। অন্যজন তাদের প্রতিবেশি। সকলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুন ১৫, ২০১৯ ১৪:৪৩ Asia/Dhaka
  • পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে রাজনৈতিক সংঘর্ষে ৩ তৃণমূল সমর্থক নিহত

পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের ডোমকলে রাজনৈতিক সংঘর্ষে ৩ তৃণমূল সমর্থক নিহত হয়েছে। আজ (শনিবার) ডোমকলের কুচিয়ামোড়া গ্রামে ব্যাপক বোমাবাজি ও গুলিবর্ষণের মধ্যে সোহেল রানা (১৯), খাইরুদ্দিন শেখ (৫৫) ও রহিদুল শেখ (২৭) নিহত হয়। সোহেল রানা ও খাইরুদ্দিন একই পরিবারের সদস্য। অন্যজন তাদের প্রতিবেশি। সকলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন।

এর আগে লোকসভা নির্বাচনের আগে দুর্বৃত্তদের হামলায় খুন হয়েছিলেন সোহেল রানার বাবা ও ডোমকল পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ আলতাফ শেখ। এবার তার ভাই ও ছেলে নিহত হলেন।

জেলা পুলিশ সুপার মুকেশ কুমার বলেন, ‘তিন জন খুন হয়েছেন। কী কারণে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে দু’টি গোষ্ঠীর সংঘর্ষের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে বলেও তার ধারণা। শনিবার ভোর ৫ টা নাগাদ ডোমকলের কুচিয়ামোড়া গ্রামে দুর্বৃত্তরা  বোমা নিক্ষেপের পাশাপাশি তিনজনকে ঘিরে ধরে গুলিবর্ষণ করলে ঘটনাস্থলেই তারা নিহত হয়।

এলাকার তৃণমূল নেতা সৌমিক হোসেন বলেন, যেহেতু রাজনৈতিকভাবে পারছে না সেজন্য সিপিএম, কংগ্রেসের যে কাজ, ওদের যে কালচার মানুষ খুন করা, মানুষের রক্তপাত ঘটানো সেই রাজনীতি ডোমকলে আবার শুরু হয়েছে। আজ সকালে একই পরিবারের মানুষজনকে খুন করেছে। আমাদের দলকে আমরা জানিয়েছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে উন্নয়ন, সেই উন্নয়ন ওরা করতে পারছে না। সেজন্য খুন করব, মার্ডার করব এমন নোংরা রাজনীতি শুরু হয়েছে। আমরা এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো,  পুলিশকে জানিয়েছি। আমরা ওদেরকে সহজে ছাড়ব না।

তৃণমূলের অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা কংগ্রেসের মুখপাত্র জয়ন্ত দাস বলেন, ‘নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে ওদের মৃত্যু হয়েছে। ওদের দল ভেঙেই এখন অনেকে কংগ্রেস ও বিজেপিতে যাচ্ছে। এনিয়ে দলেই ওদের মধ্যে সংঘাত বেধেছে। ওই ঘটনার সঙ্গে তাদের দলের কোনো যোগ নেই বলেও কংগ্রেস নেতা জয়ন্ত দাস মন্তব্য করেন।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/বাবুল আখতার /১৫    

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।