ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ইসরাইলি ড্রোনের সাহায্যে বিএসএফের নজরদারি
https://parstoday.ir/bn/news/india-i75016-ভারত_বাংলাদেশ_সীমান্তে_ইসরাইলি_ড্রোনের_সাহায্যে_বিএসএফের_নজরদারি
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ইসরাইলি ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালাবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। ইহুদিবাদী ইসরাইল থেকে আমদানি করা ড্রোনের সাহায্যে উভয়দেশের মধ্যে দীর্ঘ ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটারের সীমান্তে ড্রোন ব্যবহার করবে বিএসএফ।
(last modified 2026-02-17T14:37:08+00:00 )
নভেম্বর ০৫, ২০১৯ ১৭:৪৩ Asia/Dhaka
  • ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ইসরাইলি ড্রোনের সাহায্যে বিএসএফের নজরদারি

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ইসরাইলি ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালাবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। ইহুদিবাদী ইসরাইল থেকে আমদানি করা ড্রোনের সাহায্যে উভয়দেশের মধ্যে দীর্ঘ ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটারের সীমান্তে ড্রোন ব্যবহার করবে বিএসএফ।

বিএসএফের গুয়াহাটির ইন্সপেক্টর জেনারেল পিযুশ মর্দিয়া বলেন, ‘সীমান্তে মূলত যেসব এলাকায় নজরদারি ব্যবস্থা দুর্বল সেসব এলাকা দিয়ে চোরাচালান বেশি হয়। সাধারণত, রাতে এসব হয়। ড্রোন মোতায়েনর ফলে আমাদের নজরদারি সীমাবদ্ধতা দূর হবে।’

তিনি বলেন, ড্রোনগুলো ১৫০ মিটার উঁচু থেকে প্রতিনিয়ত ছবি তুলে পাঠাবে এবং চোরকারবারিদের শনাক্ত করবে।

বিএসএফ অবশ্য বলছে, নজরদারি জোরালো করার চেয়েও এর পেছনে বড় পরিকল্পনা হলো, পাচারকারীদের কাছে এই বার্তা পাঠানো যে, তাদের ওপরে সব সময় বিএসএফ নজর রাখছে।

এদিকে, ড্রোন ছাড়াও অসমের ধুবড়ি সেক্টরে মাটির নিচে থার্মাল-ইমেজার, স্বয়ংক্রিয় তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্রও স্থাপন করেছে বিএসএফ। এসবের মাধ্যমে মানুষ, প্রাণী এমনকি অন্যান্য যেকোনো বস্তুর চলাফেরার ওপর নজরদারি করা যায়।

ইতোমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার বিএসএফের কাছে ড্রোন সরবরাহ শুরু করেছে। বিএসএফ এসব ড্রোন দিয়ে সীমান্তে নজরদারি করবে। প্রথম স্তরে মেঘালয় থেকে পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার পর্যন্ত দীর্ঘ সীমান্ত এলাকায় ড্রোনগুলো মোতায়েন করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকার এভাবে সীমান্ত দিয়ে চোরাকারবার ও পাচার বন্ধে এমন কঠোর নজরদারির পদক্ষেপ নিলেও ঠিক কতটি ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে তার সঠিক সংখ্যা সম্পর্কে বিএসএফ কিছু জানায়নি।

অসম মেঘালয়, মিজোরাম, ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটারের। অসমের পশ্চিমাঞ্চলে ধুবড়ি সেক্টরের ৬১ কিলোমাটির দীর্ঘ সীমান্তে ড্রোন ছাড়াও মাটির নিচে পুঁতে রাখা যন্ত্র দিয়েও নজরদারি শুরু করেছে বিএসএফ।

কেন্দ্রীয় সরকার সম্প্রতি ইসরাইল থেকে এসব ড্রোন আমদানি করেছে। বিরতিহীনভাবে দীর্ঘ সময় এগুলো চালু থাকে। এর প্রত্যেকটির দাম ভারতীয় মুদ্রায় ৩৭ লাখ টাকা। ড্রোনগুলোতে যে ভিশন ক্যামেরা রয়েছে, তার সাহায্যে দিনে কিংবা রাতে মাটির দুই কিলোমিটার উপর থেকে ছবি তোলা সম্ভব।

অসমের সঙ্গে বাংলাদেশের ২৬৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের মধ্যে ১১৯ কিলোমিটারই নদীসংলগ্ন। সেজন্য এসব সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।