ভারত চাইলে ৭/১০ দিনের মধ্যেই পাকিস্তানকে ধুলোয় মেশাতে পারে: মোদি
https://parstoday.ir/bn/news/india-i77032-ভারত_চাইলে_৭_১০_দিনের_মধ্যেই_পাকিস্তানকে_ধুলোয়_মেশাতে_পারে_মোদি
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ‘প্রতিবেশী দেশ তিনটি যুদ্ধ হেরেছে। পাকিস্তানকে কুপোকাত করতে ৭/১০ দিনের বেশি সময় নেয় না ভারতের সেনা। কিন্তু দশকের পর দশক ধরে ‘ছায়াযুদ্ধ’ চালিয়ে এসেছে তারা। আগে সেনাবাহিনীকে অভিযানের অনুমতি দেওয়া হতো না। আমাদের সময় সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, বিমান হানা হয়েছে।’
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
জানুয়ারি ২৯, ২০২০ ০৯:৪৭ Asia/Dhaka
  • নরেন্দ্র মোদি
    নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ‘প্রতিবেশী দেশ তিনটি যুদ্ধ হেরেছে। পাকিস্তানকে কুপোকাত করতে ৭/১০ দিনের বেশি সময় নেয় না ভারতের সেনা। কিন্তু দশকের পর দশক ধরে ‘ছায়াযুদ্ধ’ চালিয়ে এসেছে তারা। আগে সেনাবাহিনীকে অভিযানের অনুমতি দেওয়া হতো না। আমাদের সময় সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, বিমান হানা হয়েছে।’

গতকাল  (মঙ্গলবার) নয়াদিল্লিতে জাতীয় সমর শিক্ষার্থী বাহিনী’র (এনসিসি) এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় তিনি ওই মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, স্বাধীনতার পর থেকেই জম্মু-কাশ্মীরে সমস্যা রয়েছে। কয়েকটি পরিবার ও রাজনৈতিক দল উপত্যকার ইস্যুগুলোকে জিইয়ে রেখেছে। তার ফল হিসেবে সন্ত্রাসবাদ মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। বছরের পর বছর ধরে হাজার হাজার নিরাপরাধ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।  বাসিন্দাদের কাশ্মীর ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। বর্তমান সরকার কয়েক দশক ধরে চলা আসা এই সমস্যাগুলোর সমাধানের চেষ্টা করতে চায়।

এদিন ওই ইস্যুতে তিনি বলেন, সাবেক সরকারগুলো ওই সমস্যাকে আইন-শৃঙ্খলার সমস্যা হিসেবে দেখেছিল। ভারতীয় সেনাবাহিনী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চাইলেও তাদের অনুমতি দেওয়া হয়নি। সাবেক সরকারগুলোর নিষ্ক্রিয়তার কারণেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিক্ষোভ-আন্দোলন চললেও প্রধানমন্ত্রীর দাবি, জম্মু-কাশ্মীরসহ দেশের অন্যান্য অংশে শান্তি বজায় রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের সাফল্য হিসেবে বোড়ো চুক্তি, তিন তালাক বাতিল, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন তিনি।

‘সিএএ’ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘কয়েক দশকের পুরনো সমস্যার সমাধান করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ধর্মের রং মাখিয়ে যারা সেই সিদ্ধান্তের প্রবল বিরোধিতা করছেন গোটা দেশ তাদের আসল রূপ দেখতে পাচ্ছে। মানুষ চুপ করে আছে। কিন্তু, সব বুঝতে পারছে।’

প্রধানমন্ত্রী এভাবে জাতীয় সমর শিক্ষার্থী বাহিনী এনসিসি’র মতো অরাজনৈতিক সরকারি মঞ্চকে ব্যবহার করে আগাগোড়া রাজনৈতিক বক্তৃতা দিয়ে কার্যত দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করলেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।