ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার, মৃত ৫০
https://parstoday.ir/bn/news/india-i78752-ভারতে_করোনায়_আক্রান্তের_সংখ্যা_প্রায়_২_হাজার_মৃত_৫০
ভারতে করোনাভাইরাসে কমপক্ষে ২ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। মৃতের সংখ্যা ৫০। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, গতকাল (বুধবার) রাত পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৮৩৪।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
এপ্রিল ০২, ২০২০ ১১:২৭ Asia/Dhaka
  • ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার, মৃত ৫০

ভারতে করোনাভাইরাসে কমপক্ষে ২ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। মৃতের সংখ্যা ৫০। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, গতকাল (বুধবার) রাত পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৮৩৪।

আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্টে প্রকাশ, আক্রান্তের সংখ্যা ১৯৬৫। অর্থাৎ ১৩১ জন নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন। নতুন করে আরও ৯ জনের মৃত্যু হওয়ার ফলে এখনও পর্যন্ত গোটা দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫০। চিকিৎসায়  সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৫১ জন।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে মহারাষ্ট্র সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে। এখানে ৩৩৫ জন করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। এবং ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কেরালা। এখানে ২৬৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এরপরে যথাক্রমে রয়েছে তামিলনাড়ু ২৩৪,  দিল্লি ১৫২,  উত্তরপ্রদেশ ১১৩। পশ্চিমবঙ্গে এপর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭। তিন  জনের মৃত্যু হয়েছে।

মুম্বইয়ের ধারাভি বস্তিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহভাজনদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কোয়রান্টিনে

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লেখা এক চিঠিতে করোনা বিপর্যয়ের জেরে রাজ্যের বেহাল অর্থনৈতিক অবস্থায় কেন্দ্রীয় সাহায্য হিসেবে কমপক্ষে ২৫ হাজার কোটি টাকা চেয়ে চিঠি দিয়েছেন। আরও নানা বিষয়ে রাজ্যের প্রাপ্য ৩৬ হাজার কোটি টাকা দ্রুত মিটিয়ে দেওয়াসহ ডিভল্যুশন (কর, সেস ও সারচার্জ বাবদ যে অর্থ রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় সরকার নিয়ে যায়, তার ফেরত পাওয়া অংশ) বাবদ কেন্দ্রীয় সরকার যে ১১ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে দিয়েছে, তা বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী মিটিয়ে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আপনি নিশ্চয়ই জানেন, অন্যান্য রাজ্যের মতোই এ রাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্থাও শোচনীয় হয়ে পড়েছে। লকডাউনের জেরে সমস্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও কাজকর্ম বন্ধ হওয়ায় রাজ্যের নিজস্ব রাজস্ব সংগ্রহ বন্ধ। এসব বিপত্তি সত্ত্বেও এ মাসে কোনওভাবে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বেতন, মজুরি ও পেনশন দিতে  পেরেছি। এসবের সঙ্গেই পূর্বতন সরকারের বিশাল ঋণের বোঝা। আমরা এখনও পর্যন্ত ঋণের সুদ ও আসলের অংশ মেটাতে পারছি। কিন্তু ভবিষ্যতে তা পারা যাবে কি না, তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

পার্সটুডে/এমএএইচ/এমবিএ/২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।