লকডাউনের মধ্যে দিল্লির মসজিদে আযান দেয়া যাবে: মনিশ সিসোদিয়া
https://parstoday.ir/bn/news/india-i79338-লকডাউনের_মধ্যে_দিল্লির_মসজিদে_আযান_দেয়া_যাবে_মনিশ_সিসোদিয়া
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে মসজিদে আযান দেয়া গেলেও নামাজ বাসায় পড়তে হবে বলে জানিয়েছেন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনিশ সিসোদিয়া। তিনি আজ (শুক্রবার) গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই মন্তব্য করেছেন।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
এপ্রিল ২৪, ২০২০ ১৪:১০ Asia/Dhaka
  • দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনিশ সিসোদিয়া
    দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনিশ সিসোদিয়া

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে মসজিদে আযান দেয়া গেলেও নামাজ বাসায় পড়তে হবে বলে জানিয়েছেন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনিশ সিসোদিয়া। তিনি আজ (শুক্রবার) গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই মন্তব্য করেছেন।

মনিশ সিসোদিয়া বলেন, ‘লকডাউনের মধ্যে আযানে কোনো নিষেধাজ্ঞা হবে না। কিন্তু মসজিদে আসায় নিষেধাজ্ঞা থাকবে। লোকেদের নিজ বাসাতেই ইবাদত করার জন্য আবেদন জানানো হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, শুধু মসজিদই নয়, যেকোনো ধর্মস্থানে ভিড় করার অনুমতি দেওয়া হবে না। পুজোর জন্য লোকদের জড়ো হওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা আছে।

‘আজতক’ টিভি চ্যানেলের ওয়েবসাইট সূত্রে প্রকাশ, এক মুসলিম নারী দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও লে. গভর্নরের কাছে জানতে চেয়ে বলেন- বিভ্রান্তি বা  গুজব এড়াতে আপনার কাছে বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে যে নামাজের জন্য কেউ মসজিদে আসবে না, কিন্তু রমজানের সময়ে কী আযানকেও  অনুমতি দেওয়া হবে না?

এদিকে গণমাধ্যমের একাংশ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভাইরাল ভিডিও চিত্রে প্রকাশ, "দিল্লির প্রেম নগর এলাকায় গতকাল (বৃহস্পতিবার) দুই পুলিশ সদস্য রমজানে মসজিদ থেকে আযান দিতে নিষেধ করছেন। এসময় কয়েকজন মুসলিম   নারী দিল্লি পুলিশ কর্মীদের চ্যালেঞ্জ জানান এবং আযানের সপক্ষে জোরালো সাফাই দিয়ে অর্ডার দেখাতে বলেন। তারা বলেন আযান না হলে আমরা ইফতার করব কীভাবে? আমরা রোজ খবর দেখি কিন্তু আযানে কোনও নিষেধ নেই। এক নারী বলেন, আযানে কোনও সমস্যা হয় নাকি? আযানে কী করোনা ছড়াবে? আযান না হলে আমরা নামাজ পড়ব কীভাবে?"

দিল্লি জামে মসজিদ (ফাইল ফটো)

মুসলিম নারীদের সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে পুলিশ সদস্যরা অবশ্য এ সংক্রান্ত কোনও সরকারি অর্ডার দেখাতে পারেননি। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় এটা এলজি সাহেব অর্থাৎ দিল্লির লে. গভর্নর (উপ-রাজ্যপাল) নিষেধ করেছেন। পুলিশ জানায়, এটা এলজি সাহেবের অর্ডার। মুসলিম ওই নারীরা তখন এলজি’র অর্ডার দেখানোর জন্য বললে এক পুলিশ সদস্য বলেন থানায় যেয়ে অর্ডার দেখে নিন। যদিও এলজির অর্ডার সংক্রান্ত পুলিশের দাবির সপক্ষে কোনও সত্যতার প্রমাণ মেলেনি।

এদিকে, গণমাধ্যমের একটি সূত্র বলছে, ওই ইস্যুতে দিল্লি সংখ্যালঘু কমিশনের পক্ষ থেকে দিল্লি পুলিশকে এ ব্যাপারে চিঠি দেওয়া হয়েছে। যদিও এ পর্যন্ত তার কোনও ফলাফল জানা যায়নি।

অন্যদিকে, দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে- আমরা আশা করছি রোজা-নামাজ পালনের সময় লকডাউন বিধি পালন করা হবে। সরকারি বিধি মেনে আযান হবে। এছাড়া নামাজ, সেহরি, ইফতার বাসায় করার জন্যও বলা হয়েছে।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২৪

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।