জম্মু-কাশ্মীর ও কেরালায় সরকারি নির্দেশিকা মেনে ঈদুল ফিতর উদযাপিত
https://parstoday.ir/bn/news/india-i80147-জম্মু_কাশ্মীর_ও_কেরালায়_সরকারি_নির্দেশিকা_মেনে_ঈদুল_ফিতর_উদযাপিত
জম্মু-কাশ্মীর ও কেরালায় খুশির উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। এই উপলক্ষে পুঞ্চের জামে মসজিদে কিছু লোক শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদের নামাজ পড়েছেন। করোনাজনিত লকডাউন পরিস্থিতিতে রাজ্যের মানুষজন সরকারি নির্দেশিকা অনুসরণ করছেন। ভারতের অন্যান্য রাজ্যে আগামীকাল (সোমবার) ঈদ উদযাপিত হবে।    
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
মে ২৪, ২০২০ ১২:৩৯ Asia/Dhaka
  • কাশ্মীরের একটি মসজিদে ঈদের জামাত
    কাশ্মীরের একটি মসজিদে ঈদের জামাত

জম্মু-কাশ্মীর ও কেরালায় খুশির উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। এই উপলক্ষে পুঞ্চের জামে মসজিদে কিছু লোক শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদের নামাজ পড়েছেন। করোনাজনিত লকডাউন পরিস্থিতিতে রাজ্যের মানুষজন সরকারি নির্দেশিকা অনুসরণ করছেন। ভারতের অন্যান্য রাজ্যে আগামীকাল (সোমবার) ঈদ উদযাপিত হবে।    

ঈদ উপলক্ষে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের মহাপরিচালক দিলবাগ সিং মানুষজনকে ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। পুলিশের মহাপরিচালক জম্মু-কাশ্মীরের জনগণ, শহীদ পরিবার, পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ান এবং তাদের পরিবারকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।  

পুলিশের ডিজিপি শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে বলেন, তিনি আশা করছেন যে এই উৎসব জম্মু-কাশ্মীরের জনগণের পাশাপাশি পুলিশ, তাদের পরিবার এবং শহীদ পরিবারের মধ্যে খুশি বয়ে আনবে। তিনি জম্মু-কাশ্মীরে ঈদ উৎসব শান্তি ও সমৃদ্ধিতে উদযাপিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

করোনাজনিত পরিস্থিতিতে কাশ্মীরে লকডাউনের মধ্যে ঈদ পালিত হচ্ছে। পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী জনসাধারণের চলাচলকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। কেবলমাত্র প্রয়োজনীয় পরিসেবাগুলোর জন্য ‘পাস’ পরীক্ষা করার পরেই আসা যাওয়ার অনুমতি আছে। প্রশাসনের নির্দেশে সমস্ত দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। একইসাথে করোনাভাইরাস এড়াতে লোকেদের বাসায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কেরালায় ঈদের নামায আদায় করেন কয়েকজন নারী

অন্যদিকে, জম্মু-কাশ্মীর থেকে পৃথক হওয়া লাদাখে গতকাল (শনিবার) ঈদুল ফিতর পালিত হয়েছে। লাদাখ, কারগিল এলাকায় গত (শুক্রবার) চাঁদ দেখা যায়। এজন্য লাদাখে গতকাল (শনিবার) ঈদুল ফিতর পালিত হয়েছে।

ভারতের কেরালা রাজ্যে আজ (রোববার) ঈদ উদযাপিত হচ্ছে। লকডাউনের কারণে মালাপুরমে মানুষজন বাসাতেই ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।  

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাকভি বলেছেন, "আমার জীবনে প্রথমবারের মতো বাসায় নামাজ পড়ব। জায়গা বদলে যাবে কিন্তু আবেগ নয়। এটি সত্য যে করোনার চ্যালেঞ্জগুলোর কারণে, রমজানের সাথে যুক্ত সমস্ত ফরজ লোকেরা বাসায় আদায় করেছেন। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি যে লোকেরা ঈদও বাসায় উদযাপন করবেন।"   

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২৪

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।