সীমান্তে পাক বাহিনীর গুলিবর্ষণের ফলে ১ ভারতীয় সেনা জওয়ান নিহত
-
ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু কাশ্মিরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর দমন পীড়ন।
জম্মু-কাশ্মীরে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিবর্ষণের ফলে এক ভারতীয় সেনা জওয়ান নিহত হয়েছেন। আজ (সোমবার) পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে হাবিলদার দীপক কর্কী নামে ওই জওয়ান নিহত হন।
আজ এনডিটিভি জানিয়েছে, কাশ্মীরের রজৌরি জেলার নৌশেরা সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর পাকিস্তানি সেনারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গুলিবর্ষণ করলে ভারতীয় সেনাবাহিনী পাল্টা গুলিবর্ষণ করে জবাব দেয়। এসময় এক জওয়ান নিহত হন।
গণমাধ্যমের অন্য সূত্রে প্রকাশ, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আজ কৃষ্ণাঘাঁটি সেক্টর ও নৌশেরা সেক্টরে গুলিবর্ষণ করেছে। কৃষ্ণাঘাঁটি সেক্টরে পাকিস্তানি বাহিনী ছোট অস্ত্রের সাহায্যে গুলিবর্ষনের পাশপাশি সেনা চৌকি টার্গেট করে মর্টার শেলের মাধ্যমে আক্রমণ চালায়। এসময় ভারতীয় জওয়ানরা পাল্টা জবাব দিয়েছে।
ওই ঘটনার পরে রাজৌরিতে পাকিস্তানি বাহিনী গুলিবর্ষণ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এসময় এক জওয়ান নিহত হন। এছাড়া এক জওয়ান ও এক বেসামরিক ব্যক্তি আহত হলে তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবেন্দ্র আনন্দ বলেন, ‘সকাল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ পাকিস্তানি সেনা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গুলিবর্ষণ করলে ভারতীয় সেনারা তার পাল্টা জবাব দিয়েছে। পাকিস্তানি বাহিনীকে পাল্টা গুলিবর্ষণের মধ্য দিয়ে জবাব দেওয়ার সময় হাবিলদার দীপক কারকি গুরুতর আহত হন এবং পরে তিনি মারা যান। দীপক কারকি এক সাহসী, কর্তব্যপরায়ণ ও বিশ্বস্ত সৈনিক ছিলেন। তাঁর আত্মত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠার জন্য জাতি সবসময় ঋণী থাকবে।’
ভারত-পাক সীমান্তে এনিয়ে চলতি জুন মাসে চার জওয়ান নিহত হলেন। এরআগে চলতি মাসের ৪ জুন রজৌরি জেলার সুন্দেরবানী সেক্টরে পাক বাহিনীর গুলিতে হাবিলদার পি মাথিয়াজগন নিহত হন। ১০ জুন রাজৌরি ও পুঞ্চ জেলার তারাকুন্ডি সেক্টরে পাকিস্তানের মর্টার হামলায় নিহত হন নায়েক গুরুচরণ সিং। গত ১৪ জুন পুঞ্চ জেলায় নিহত হন আরও এক জওয়ান। এবার নিহত হলেন হাবিলদার দীপক কারকি।#
পার্সটুডে/এমএএইচ/এমবিএ/২২
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।