বিহার বিধানসভায় অপরাধমূলক কাজকর্মে অভিযুক্ত বিধায়কের সংখ্যা বেড়েছে
https://parstoday.ir/bn/news/india-i84592-বিহার_বিধানসভায়_অপরাধমূলক_কাজকর্মে_অভিযুক্ত_বিধায়কের_সংখ্যা_বেড়েছে
ভারতের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে নবনির্বাচিত বিধায়কদের অধিকাংশের বিরুদ্ধেই অপরাধমূলক কাজকর্মের অভিযোগ রয়েছে। রাজ্যটিতে ২৪৩ আসনের মধ্যে ১২৫ আসন নিয়ে বিজেপি-জেডিইউ নেতৃত্বাধীন জোট ‘এনডিএ’ রাজ্যে সরকার গঠন করতে চলেছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
নভেম্বর ১২, ২০২০ ১৬:২৪ Asia/Dhaka
  • বিহার বিধানসভায় অপরাধমূলক কাজকর্মে অভিযুক্ত বিধায়কের সংখ্যা বেড়েছে

ভারতের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে নবনির্বাচিত বিধায়কদের অধিকাংশের বিরুদ্ধেই অপরাধমূলক কাজকর্মের অভিযোগ রয়েছে। রাজ্যটিতে ২৪৩ আসনের মধ্যে ১২৫ আসন নিয়ে বিজেপি-জেডিইউ নেতৃত্বাধীন জোট ‘এনডিএ’ রাজ্যে সরকার গঠন করতে চলেছে।

নবনির্বাচিত বিধায়কদের হলফনামা বিশ্লেষণ করার পরে, অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস (এডিআর) এবং ইলেকশন ওয়াচ নামে দুটি সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অপরাধমূলক কাজকর্মে অভিযুক্ত বিধায়কের সংখ্যা বেড়েছে। এভাবে, নির্বাচনের ফল প্রকাশের সাথে সাথে বিধানসভার একটি নয়াচিত্র প্রকাশ্যে এসেছে। অন্যদিকে, নারী বিধায়কের সংখ্যা আগের তুলনায় কমেছে। বিধানসভায় এবার কোটিপতি বিধায়কদের মুখও গতবারের চেয়ে বেশি দেখা যাবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিধানসভার অর্ধেকেরও বেশি আসনে এমন বিধায়করা বসবেন, যাদের উপরে গুরুতর অভিযোগের মামলা রয়েছে। ২০১৫ সালে ওই সংখ্যা ছিল ৪০ শতাংশ। এবার ১৬৩ জনপ্রতিনিধি জিতেছেন, যাদের বিরুদ্ধে কোনও না কোনও ক্ষেত্রে এফআইআর রয়েছে। এরমধ্যে ১২৩ জনের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর অভিযোগ’ রয়েছে। ওই সংখ্যা বিধানসভার মোট বিধায়কদের তুলনায় ৫১ শতাংশ হবে। এ জাতীয়  প্রতিনিধিদের বিধানসভায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রায় সব রাজনৈতিক দলেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

পরিসংখ্যানে প্রকাশ, আরজেডির ৭৪ বিধায়কের মধ্যে ৪৪ জন (৬০ শতাংশ), বিজেপি’র ৭৩ বিধায়কের মধ্যে ৩৫ জন (৪৮ শতাংশ),  জেডিইউ-এর ৪৩ বিধায়কের মধ্যে ১১ জন (২৬ শতাংশ), কংগ্রেসের ১৯ বিধাকের মধ্যে ১১ জন (৫৮ শতাংশ) এবং সিপিআই(এমএল)-এর ১২ বিধায়কের মধ্যে ৮ জন (৬৭ শতাংশ) বিধায়কদের বিরুদ্ধেও গুরুতর মামলা রয়েছে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত রয়েছেন ১৯ জন। ৩১ জনের বিরুদ্ধে হত্যার চেষ্টা এবং ৮ জনের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।‘মিম’, সিপিআইএম এবং বিএসপি থেকে যেসমস্ত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন তারাও তাদের মনোনয়ন পত্রের হলফনামায় গুরুতর মামলা দায়েরের তথ্য দিয়েছেন।

অন্যদিকে, ২০১৫ সালের তুলনায় এবারের বিধানসভা নির্বাচনে নারী বিধায়কের সংখ্যা ২ জন কমে গেছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে ২৮ জন নারী বিধায়ক বিধানসভায় পৌঁছেছিলেন। এবার এই সংখ্যা কমে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। বিধানসভায় এবার কোটিপতিদের সংখ্যাও দেখা যাবে ২০১৫ সালের চেয়ে বেশি। গতবার ৬৭ শতাংশ বিধায়ক কোটিপতি ছিলেন।  এবার ওই হার ৮১ শতাংশে পৌঁছেছে।#

 পার্সটুডে/এমএএইচ/এমবিএ/১২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।