'সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে সেনাবাহিনীর ভূমিকায় দেশবাসী গর্বিত'
https://parstoday.ir/bn/news/india-i99572-'সার্জিক্যাল_স্ট্রাইকে_সেনাবাহিনীর_ভূমিকায়_দেশবাসী_গর্বিত'
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে সেনাবাহিনীর ভূমিকায় গর্বিত। জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরি জেলার নওশেরা সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর মোতায়েন সেনাদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করতে গিয়ে তিনি আজ (বৃহস্পতিবার) ওই মন্তব্য করেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
নভেম্বর ০৪, ২০২১ ১৪:৩১ Asia/Dhaka

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে সেনাবাহিনীর ভূমিকায় গর্বিত। জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরি জেলার নওশেরা সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর মোতায়েন সেনাদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করতে গিয়ে তিনি আজ (বৃহস্পতিবার) ওই মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, আমি আপনাদের জন্য দেশবাসীর আশীর্বাদ নিয়ে এসেছি। আপনাদের ভরসায় মানুষ শান্তিতে ঘুমোয়। নওশেরা, কাশ্মীর ও শ্রীনগরের পাহারাদার। আপনারা ‘মা ভারতী’র রক্ষা কবচ। নওশেরার ইতিহাস সেনাবাহিনীর বীরত্বের কথা বলে। নওশেরায় প্রতিটি যুদ্ধ, প্রতিটি ষড়যন্ত্রের জবাব দিয়েছে সেনাবাহিনী বীরত্বের সাথে। নওশেরার সেনাদের সামনে সব ষড়যন্ত্র বিসর্জন হয়েছে।

তিনি বলেন, ভারতীয় সেনাবাহিনীর শক্তি কতটা, তা প্রথম দিকেই টের পেয়ে গিয়েছিল শত্রুরা। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে এখানকার ব্রিগেড যে ভূমিকা পালন করেছে তা দেশের প্রতিটি বাসিন্দাকে গর্বিত করে। তখন আমি বসে বসে প্রতি মুহূর্তে ফোনের রিংয়ের দিকে নজর রাখছিলাম। আমাদের জওয়ানরা কোনো ক্ষতি ছাড়াই মিশন শেষ করে এসেছিল। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরেও ষড়যন্ত্র চলতে থাকে, কিন্তু সৈন্যরা যোগ্য জবাব দিয়েছে।   

প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও বলেন, পাণ্ডবরাও তাদের নির্বাসনের সময়ে এই এলাকায় কিছু সময় কাটিয়েছিলেন। আজ আপনাদের সকলের মাঝে এসে এখানে শক্তির সাথে সংযুক্ত অনুভব করছি। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে এখানকার ব্রিগেডের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। জম্মু-কাশ্মীরের উরি সেক্টরে একটি সামরিক ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়ায় ২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ভারত নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলওসি) ওপারে একটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালায়। প্রধানমন্ত্রী মোদি আজ বলেন, সার্জিক্যাল হামলার পরে, এখানে সন্ত্রাস ছড়িয়ে দেওয়ার অনেক চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু তাদের উপযুক্ত জবাব দেওয়া হয়েছে।   

প্রসঙ্গত, ভারত-পাক সীমান্তবর্তী জেলা পুঞ্চ এবং রাজৌরি এলাকায়, গত তিন সপ্তাহে সহিংসতা তীব্র হয়েছে এবং ১১ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। সেনাবাহিনী গত ২৪ দিন ধরে পুঞ্চ-রাজৌরি গভীর জঙ্গলে সবচেয়ে দীর্ঘতম সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে নিযুক্ত রয়েছে। কিন্তু গেরিলাদের আত্মগোপনের   বিষয়ে এ পর্যন্ত বিশেষ কোনো সাফল্য পাওয়া যায়নি। 

২০১৯ সালে, প্রধানমন্ত্রী রাজৌরিতে একটি সেনা বিভাগে দীপাবলি উৎসব উদযাপন করেছিলেন এবং এবার তিনি নওশেরা এলাকায় দীপাবলি উদযাপন করছেন, যা নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি। গত সপ্তাহে একই সেক্টরে শক্তিশালী মাইন বিস্ফোরণে এক কর্মকর্তাসহ দুই সেনা সদস্যের মৃত্যু হয়।         

    

পার্সটুডে/এমএএইচ/বাবুল আখতার/৪

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।