গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সিরিয়া সফরে যাচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রায়িসি
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i122624-গুরুত্বপূর্ণ_সময়ে_সিরিয়া_সফরে_যাচ্ছেন_ইরানের_প্রেসিডেন্ট_ইব্রাহিম_রায়িসি
আগামী বুধবার সিরিয়া সফরে যাচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়িসি। দামেস্কে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত হোসেইন আকবারি এ খবর জানিয়েছেন। তিনি আঞ্চলিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আসন্ন সফরকে ‘টার্নিং পয়েন্ট’ বলে মন্তব্য করেন।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
মে ০১, ২০২৩ ০৬:১৬ Asia/Dhaka
  • বাশার আল আসাদ ও সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়িসি
    বাশার আল আসাদ ও সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়িসি

আগামী বুধবার সিরিয়া সফরে যাচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়িসি। দামেস্কে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত হোসেইন আকবারি এ খবর জানিয়েছেন। তিনি আঞ্চলিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আসন্ন সফরকে ‘টার্নিং পয়েন্ট’ বলে মন্তব্য করেন।

রায়িসির আসন্ন সিরিয়া সফর হবে গত ১৩ বছরের মধ্যে দেশটিতে কোনো ইরানি প্রেসিডেন্টের প্রথম সফর। সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ ২০১০ সালে সর্বশেষ দামেস্ক সফর করেছিলেন।

আকবারি রোববার ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, পশ্চিমা বিশ্বের আধিপত্যের মোকাবিলায় প্রেসিডেন্ট রায়িসির দু’দিনব্যাপী দামেস্ক সফর দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করবে।

ইরানি রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রেসিডেন্ট রায়িসির এ সফর শুধু তেহরান ও দামেস্কের স্বার্থই রক্ষা করবে না সেইসঙ্গে এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশও উপকৃত হবে। আকবারি বলেন, আঞ্চলিক পরিস্থিতিতে যে পরিবর্তন ঘটছে তার প্রেক্ষাপটে এই সফর হবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্টের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ মোহাম্মাদ জামশিদি বলেছেন, রায়িসির সফর হবে প্রতিরোধ অক্ষের বিজয় উদযাপনের একটি উপলক্ষ। তিনি বলেন, পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল দু’টি ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি উত্তেজনাপূর্ণ সময় শেষ করেছে। পরিবর্তন দু’টি হচ্ছে, ইরানের বিজয় এবং আমেরিকার পরাজয়।

২০১০ সালে সিরিয়া সফর করেন ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ

সম্প্রতি ইরান ও সৌদি আরব পরস্পরের দেশে দূতাবাস পুনরায় চালু করতে সম্মত হয়েছে। এছাড়া, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ক্ষমতায় থাকবেন কী থাকবেন না তা নিয়ে এক দশকের বেশি সময়ের রক্তক্ষয়ী সংঘাত শেষে আঞ্চলিক দেশগুলো আবার সিরিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করতে শুরু করেছে।

২০১১ সালে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করতে দেশটিতে সন্ত্রাসবাদ ও সহিংসতা চাপিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু ইরান ও রাশিয়ার সমর্থন নিয়ে প্রেসিডেন্ট আসাদ এক দশকেরও বেশি সময় পর তার দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের ওপর আবার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন। ইরান বলেছে, সিরিয়ার এই ঘটনায় বিশ্বের অন্যান্য দেশও মার্কিন আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করতে অনুপ্রাণিত হবে।

দামেস্কে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত ইরনাকে আরো বলেছেন, প্রেসিডেন্ট রায়িসির আসন্ন সিরিয়া সফরের ফলে আরো যেসব দেশ মার্কিন আধিপত্য ও নিষেধাজ্ঞার শিকার তারাও আশাবাদী হয়ে উঠবে এবং মার্কিন বিরোধী বলয়ে যোগ দিতে উৎসাহী হবে।#

পার্সটুডে/এমএমআই/এমএআর/১