মুসলিম উম্মাহর অভ্যন্তরীণ শক্তি দিয়েই ইসরাইলকে নির্মূল করা সম্ভব: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i141856-মুসলিম_উম্মাহর_অভ্যন্তরীণ_শক্তি_দিয়েই_ইসরাইলকে_নির্মূল_করা_সম্ভব_ইরানের_সর্বোচ্চ_নেতা
ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেছেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল কোনো রাখঢাক ছাড়াই নির্লজ্জভাবে অপরাধ করে যাচ্ছে; গাজাতে একভাবে, পশ্চিম তীরে একভাবে, লেবাননে একভাবে, সিরিয়াতে আরেকভাবে। যোদ্ধা নয় বরং তারা সাধারণ মানুষকে টার্গেট করছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৪ ১২:১১ Asia/Dhaka
  • ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেছেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল কোনো রাখঢাক ছাড়াই নির্লজ্জভাবে অপরাধ করে যাচ্ছে; গাজাতে একভাবে, পশ্চিম তীরে একভাবে, লেবাননে একভাবে, সিরিয়াতে আরেকভাবে। যোদ্ধা নয় বরং তারা সাধারণ মানুষকে টার্গেট করছে।

মহানবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.) ও ইমাম সাদিক (আ.)'র শুভ জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ীর সঙ্গে দেশের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাবৃন্দ, মুসলিম দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতগণ এবং ৩৮তম ইসলামী ঐক্য সম্মেলনের অতিথিরা সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।

 

আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল অপরাধ করে যেতে পারছে, কারণ আমরা [মুসলিম উম্মাহ] আমাদের ক্ষমতা ব্যবহার করি না। আমাদের অভ্যন্তরীণ শক্তি মুসলিম বিশ্বের হৃদপিণ্ড অর্থাৎ ফিলিস্তিন থেকে ক্যান্সারযুক্ত টিউমার ইহুদিবাদী ইসরাইলকে নির্মূল করতে সক্ষম। একইসঙ্গে এই অঞ্চলকে আমেরিকার হস্তক্ষেপ থেকেও মুক্তি দিতে পারে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেন, ফিলিস্তিন-দখলদার সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে মুসলিম দেশগুলোকে এই অপরাধী চক্রের সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। ন্যূনতম এই কাজটি এখন মুসলিম বিশ্ব করতে পারে।

আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেন, মুসলিম বিশ্বকে দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্কও কমিয়ে আনতে হবে, মিডিয়ার মাধ্যমে আক্রমণাত্মক তৎপরতা জোরদার করতে হবে এবং মুসলিম বিশ্বের পক্ষ থেকে এটা স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে যে, তারা নিপীড়িত ফিলিস্তিনি জাতির পাশে রয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ইসলামি ঐক্যের ওপর জোর দিয়ে বলেন, মহানবী (স.)'র পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো ঐক্যবদ্ধ মুসলিম জাতি গঠন। মক্কার ১৩ বছরের সংগ্রাম মুসলিম উম্মাহ গঠনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। সেই সংগ্রাম ও ত্যাগের ফলে মুসলিম উম্মাহ শক্তিশালী হয়েছিল এবং মহানবীর ওফাতের পর আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ দৃঢ় অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছিল। # 

পার্সটুডে/এসএ/২১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।