ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি আমেরিকানদের জন্য স্পষ্ট কোনো বিজয় বয়ে আনেনি: ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস:
https://parstoday.ir/bn/news/event-i160404-ইরান_যুক্তরাষ্ট্র_চুক্তি_আমেরিকানদের_জন্য_স্পষ্ট_কোনো_বিজয়_বয়ে_আনেনি_ফাইন্যান্সিয়াল_টাইমস
পার্স টুডে – ব্রিটিশ দৈনিক ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস লিখেছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া চুক্তি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য দেশের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ও উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে এই যুদ্ধের ফলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় আমেরিকানরা কোনো সুস্পষ্ট বিজয়ের অনুভূতি ছাড়াই উচ্চমূল্যের চাপের মুখে পড়েছেন।
(last modified 2026-06-16T13:37:23+00:00 )
জুন ১৬, ২০২৬ ১৮:৫৯ Asia/Dhaka
  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

পার্স টুডে – ব্রিটিশ দৈনিক ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস লিখেছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া চুক্তি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য দেশের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ও উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে এই যুদ্ধের ফলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় আমেরিকানরা কোনো সুস্পষ্ট বিজয়ের অনুভূতি ছাড়াই উচ্চমূল্যের চাপের মুখে পড়েছেন।

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস উল্লেখ করেছে: বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এই চুক্তি মূলত পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতকে আড়াল বা নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এই চুক্তি ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রেসিডেন্সিকে—পুরোপুরি মূল পথ থেকে বিচ্যুত না করলেও—অন্তত তার গতিপথকে উল্লেখযোগ্যভাবে বদলে দিয়েছে বলে মনে করা যায়।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, এমনকি যদি উভয় পক্ষ এই চুক্তি মেনেও চলে, তবুও ট্রাম্প ও তার রিপাবলিকান পার্টির ওপর রাজনৈতিক ক্ষতির প্রভাব কমানোর জন্য তা অনেক দেরিতে এসেছে। কারণ এই যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট উচ্চ মূল্যস্ফীতির বোঝা ইতোমধ্যেই আমেরিকানদের ওপর পড়েছে।

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস লিখেছে, মাত্র কয়েক দিন আগেও ট্রাম্প একদিকে ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনার দিকে এগিয়ে যাওয়া এবং অন্যদিকে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি—যার মধ্যে খার্গ দ্বীপ নিয়ে দাবি-দাওয়াও ছিল—এই দুই অবস্থানের মধ্যে নীতি পরিবর্তন করছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হাতে একমাত্র বাস্তব বিকল্প ছিল ইরানের সরকারের সঙ্গে বিরোধ মিটিয়ে ফেলা। এই অবস্থান ২৮ ফেব্রুয়ারি (৯ এসফান্দ) ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করার সময় তেহরানের “নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ”-এর দাবির থেকে অনেক দূরের।

আমেরিকান জনমতের মধ্যে যুদ্ধ নিয়ে অসন্তোষের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে পত্রিকাটি লিখেছে, মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে এই যুদ্ধ ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে এটি রিপাবলিকান পার্টির মধ্যেও বিভাজন সৃষ্টি করেছে। একদিকে রয়েছেন সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধীরা, অন্যদিকে সেই যুদ্ধপন্থীরা, যারা হোয়াইট হাউসকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করেছিলেন।

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এর মতে, এই যুদ্ধের ফলে ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় সমস্যাটি ছিল এর অর্থনৈতিক প্রভাব। যুদ্ধ মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দিয়েছে এবং ভোক্তা মূল্যসূচক (CPI) ফেব্রুয়ারিতে ২.৪ শতাংশ থেকে বেড়ে মে মাসে ৪.২ শতাংশে পৌঁছেছে। #
 

পার্স টুডে/এমএএইচ/১৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।