কাফের বলদর্পীদের সঙ্গে আচরণের ধরণ নির্ধারণ করে দিয়েছে কুরআন: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i147644-কাফের_বলদর্পীদের_সঙ্গে_আচরণের_ধরণ_নির্ধারণ_করে_দিয়েছে_কুরআন_ইরানের_সর্বোচ্চ_নেতা
ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেছেন, অন্যান্য জাতির সাথে ইরানি জাতির কোন সমস্যা নেই, কিন্তু বলদর্পী কাফের বা মুনাফেকদের এক বিস্তৃত ফ্রন্টের সম্মুখীন। আমরা তাদের সাথে কী ধরনের আচরণ করব? এ বিষয়ে নির্দেশনা কুরআনে রয়েছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
মার্চ ০৩, ২০২৫ ১৬:১৮ Asia/Dhaka
  • কাফের বলদর্পীদের সঙ্গে আচরণের ধরণ নির্ধারণ করে দিয়েছে কুরআন: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেছেন, অন্যান্য জাতির সাথে ইরানি জাতির কোন সমস্যা নেই, কিন্তু বলদর্পী কাফের বা মুনাফেকদের এক বিস্তৃত ফ্রন্টের সম্মুখীন। আমরা তাদের সাথে কী ধরনের আচরণ করব? এ বিষয়ে নির্দেশনা কুরআনে রয়েছে।

গতকাল রোববার সন্ধ্যায় পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিন ইসলামী বিপ্লবের নেতা ইমাম খামেনেয়ীর উপস্থিতিতে কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুরআনের একদল বিশিষ্ট শিক্ষক ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্বারী অংশ নেন।

এ অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ নেতা বলেন, আমাদের ব্যক্তিগত ও সমাজ জীবনে, নীতি-নৈতিকতায় এবং পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা এমন সব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হই যা পবিত্র কুরআনের মাধ্যমে সমাধান করা যেতে পারে। কুরআন এসব ক্ষেত্রে আমাদের পথ দেখাতে পারে এবং সাহায্য করতে পারে।

পার্সটুডে জানিয়েছে ইসলামী বিপ্লবের নেতা পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এই মাসটি প্রকৃতপক্ষে ঈমানদার এবং কৃতজ্ঞ মানুষদের জন্য বড় ঈদ।

আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী আরও  বলেন, সমগ্র মানবজাতি আজ নৈতিক সমস্যায় ভুগছে। তারা হিংসা-বিদ্বেষ, কৃপণতা, সন্দেহ, অলসতা, স্বার্থপরতা এবং সামগ্রিকভাবে সমাজের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রবণতায় ভুগছে। এগুলোর সমাধান কুরআনে রয়েছে।

সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ইসলামী সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে একত্ববাদ, ইসলামী জ্ঞান এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্কের পরেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ন্যায়বিচার।

তিনি বলেন, অন্যান্য জাতির সাথে ইরানি জাতির কোন সমস্যা নেই, কিন্তু বলদর্পী কাফের বা মুনাফেকদের এক বিস্তৃত ফ্রন্টের সম্মুখীন। তাদের সঙ্গে কীভাবে আচরণ করতে হবে সে বিষয়ে কুরআনে দিকনির্দেশনা রয়েছে। কখন তাদের সাথে কথা বলা উচিত, কোন পর্যায়ে তাদের সাথে সহযোগিতা করা উচিত, কখন তাদের মুখে মুষ্টাঘাত করতে হবে এবং কখন তরবারি বের করতে হবে। এসব বিষয়ে কুরআনে দিকনির্দেশনা আছে বলে স্মরণ করিয়ে দেন। #

পার্সটুডে/এসএ/৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।