শত্রুর ধারণার বাইরে বড় বিস্ময় সৃষ্টির প্রস্তুতি আইআরজিসির
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i158658-শত্রুর_ধারণার_বাইরে_বড়_বিস্ময়_সৃষ্টির_প্রস্তুতি_আইআরজিসির
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে ঘোষণা করেছে, তারা শত্রুর ধারণা ও গণনার বাইরের আরও বড় বিস্ময় সৃষ্টির জন্য ময়দানে প্রস্তুত।
(last modified 2026-04-22T08:57:20+00:00 )
এপ্রিল ২২, ২০২৬ ১৩:০৪ Asia/Dhaka
  • শত্রুর ধারণার বাইরে বড় বিস্ময় সৃষ্টির প্রস্তুতি আইআরজিসির

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে ঘোষণা করেছে, তারা শত্রুর ধারণা ও গণনার বাইরের আরও বড় বিস্ময় সৃষ্টির জন্য ময়দানে প্রস্তুত।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়ায় বিবৃতিতে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, তারা পূর্ণ প্রস্তুতি ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে যেকোনো হুমকি ও শত্রুর পুনরায় আগ্রাসনের মুখে তাত্ক্ষণিক ও নির্ণায়ক প্রতিরোধের জন্য প্রস্তুত।

বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, যুদ্ধের সম্ভাব্য নতুন পর্বে তারা শত্রুর ধারণার বাইরের আঘাত হানবে এবং শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও প্রতিরোধের প্রতীকগুলিতে আঘাত হানার ময়দান এখনও উন্মুক্ত রয়েছে।

বিবৃতির ভাষ্যমতে, সম্প্রতি চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে ইরান বিজয়ী এবং শত্রু পরাজিত হয়েছে—এটি এখন বিশ্ব জনমতের প্রধান বিশ্বাস এবং বহু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সাধারণ বর্ণনা। তারা দাবি করে, আমেরিকা ও জায়নবাদী শাসনের জাল সামরিক শক্তির পতন ঘটেছে এবং পশ্চিম এশিয়ায় বিদেশি শক্তি—বিশেষ করে আমেরিকা—ছাড়া একটি নতুন আঞ্চলিক শৃঙ্খলা গঠিত হচ্ছে।

ইরানি জাতির সাম্প্রতিক ৫০ দিনের রাস্তায় উপস্থিতিকে ইতিহাসের এক অনন্য ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা জাতি ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে অভূতপূর্ব সংহতি প্রকাশ করে। বিবৃতিতে বলা হয়, "মহান ও সম্ভ্রান্ত ইরানি জাতি রাস্তায় ৫০ দিনেরও বেশি রাত-দিন উপস্থিত থেকে কোনো মুহূর্তে ময়দান ও সশস্ত্র বাহিনীর সমর্থন ছাড়েনি।"

আইআরজিসি জানায়, শত্রুর মিডিয়া সাম্রাজ্যের ব্যাপক প্রচারণা ও নিরবচ্ছিন্ন মনস্তাত্ত্বিক অভিযানের মূল কারণ হচ্ছে এই বাহিনীর 'ইতিহাস সৃষ্টিকারী অগ্রযাত্রা'—বিশেষ করে কঠিন, আধা-কঠিন এবং জ্ঞানীয় যুদ্ধক্ষেত্রে। এই অগ্রযাত্রা জবরদস্তি জোটকে ধারাবাহিকভাবে পরাজিত করেছে এবং ইরানবিরোধী কৌশল বাস্তবায়নে সবচেয়ে কঠিন বাধা হিসেবে কাজ করছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি ১০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সমন্বিত কম্বিনেশন অপারেশন শত্রুর সামরিক বিচারক্ষমতাকে পঙ্গু করে দেয় এবং তাদের অবকাঠামো ও কৌশলগত কেন্দ্রে বিধ্বংসী আঘাত হানে। এর ফলশ্রুতিতে আক্রমণকারী জোট 'জ্ঞানীয় শূন্যতায়' ভোগে এবং গণনাগত ভুল করে পরাক্রমশালী ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির আবেদন করতে বাধ্য হয়।

বিবৃতিতে আইআরজিসি ইরানের ধর্মীয় নেতা ও সর্বাধিনায়ক আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ মুজতাবা খামেনেয়ীর নির্দেশনায় অঞ্চল ও ইসলামী বিশ্বের জন্য আরও ব্যাপক বিজয়ের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।#

পার্সটুডে/এমএআর/২২