সংসদের সিদ্ধান্তগুলোর সঙ্গে জনগণের চাহিদার সম্পর্ক থাকতে হবে: মুজতাবা খামেনেয়ী
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i159760-সংসদের_সিদ্ধান্তগুলোর_সঙ্গে_জনগণের_চাহিদার_সম্পর্ক_থাকতে_হবে_মুজতাবা_খামেনেয়ী
পার্সটুডে-ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা ইরানের মজলিসে শুরার প্রথম অধিবেশন উদ্বোধনের বার্ষিকী এবং দ্বাদশ মজলিসের তৃতীয় বর্ষ শুরু উপলক্ষে একটি বার্তা দিয়েছেন।
(last modified 2026-05-28T11:52:12+00:00 )
মে ২৮, ২০২৬ ১৭:৩৮ Asia/Dhaka
  • আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা খামেনেয়ী
    আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা খামেনেয়ী

পার্সটুডে-ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা ইরানের মজলিসে শুরার প্রথম অধিবেশন উদ্বোধনের বার্ষিকী এবং দ্বাদশ মজলিসের তৃতীয় বর্ষ শুরু উপলক্ষে একটি বার্তা দিয়েছেন।

ওই বার্তায় আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা হোসেইনি খামেনেয়ী বলেছেন: বর্তমান সময়ে জনগণের জাগরণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ হচ্ছে তাদের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে ইসলামী পরামর্শ পরিষদ। প্রতিনিধিদের উচিত নিজেদের ভূমিকা ও দায়িত্বকে জাগ্রত জাতির মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তোলা এবং অতিরিক্ত পরিশ্রম ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে আইন প্রণয়ন ও তদারকির কাজকে এমনভাবে এগিয়ে নেওয়া, যাতে ইসলামী ইরানের ভবিষ্যৎ নির্মাণ আরও দ্রুত ও গভীর হয়। সরকারের সঙ্গে সমন্বয়, দেশের পুনর্গঠন, সংস্কৃতির উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক ও জীবনযাত্রার সমস্যা সমাধান সংসদ সদস্যদের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

সংসদের প্রধান কর্মসূচি হওয়া উচিত বছরের স্লোগানের ওপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করা এবং যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে সরকারের জন্য একটি রোডম্যাপ নির্ধারণ করা।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সংসদ সদস্যদের উচিত নির্বাহী ও বিচার বিভাগের সহযোগিতায় চলমান পরিস্থিতি ও যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে সরকার ও অন্যান্য খাতের জন্য একটি রূপরেখা নির্ধারণ করা।

সমাজের বুদ্ধিজীবীদের উচিত অর্থহীন রাজনৈতিক বিরোধ ও সামাজিক বিভেদ উসকে দেওয়া থেকে বিরত থাকা। বিশেষ করে চিন্তাবিদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের, যার মধ্যে সংসদ সদস্যরাও রয়েছেন-এই ঐক্য রক্ষায় সচেষ্ট থাকা এবং অর্থহীন রাজনৈতিক বিরোধ ও সামাজিক পার্থক্যকে বড় করে দেখানো থেকে বিরত থাকা।

শত্রুর ষড়যন্ত্র হলো যুদ্ধ, অর্থনৈতিক চাপ এবং প্রচার ও রাজনৈতিক অবরোধের পর সমাজে বিভক্তি ও বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করা, যাতে সামরিক ময়দানে তাদের পরাজয়ের ক্ষতিপূরণ হয় এবং জাতিকে হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করা যায়। তাই ইসলাম, বিপ্লব অথবা ইরানের স্বাধীনতা ও মর্যাদার জন্য যাদের হৃদয় স্পন্দিত হয়, তাদের প্রত্যেকের উচিত এখন থেকে আরও বেশি করে জাতির ঐক্যবদ্ধ ও সুসংহত কাতার রক্ষায় সচেষ্ট থাকা। অযৌক্তিক এমনকি যৌক্তিক মতপার্থক্যকেও যেন সংঘাত ও বিভক্তিতে পরিণত করা না হয় এবং কথায় ও কাজে সবাই যেন জাতীয় সংহতি ও ঐক্যের প্রতীক হয়ে ওঠে। ইনশাআল্লাহ।#

পার্সটুডে/এনএম/২৮

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।