শহীদ সাংবাদিকেরা আমাদের আলোকবর্তিকা: সাংবাদিক দিবসে নওরোজি
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i162026-শহীদ_সাংবাদিকেরা_আমাদের_আলোকবর্তিকা_সাংবাদিক_দিবসে_নওরোজি
পার্সটুডে- ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের জাতীয় সম্প্রচার সংস্থার বিশ্ব কার্যক্রমের প্রধান আহমাদ নওরোজি ইরানে সাংবাদিক দিবস উপলক্ষে এক বার্তায় গণমাধ্যমকর্মী ও সাংবাদিকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।
(last modified 2026-08-08T10:53:36+00:00 )
আগস্ট ০৮, ২০২৬ ১৬:৫৩ Asia/Dhaka
  • আহমাদ নওরোজি
    আহমাদ নওরোজি

পার্সটুডে- ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের জাতীয় সম্প্রচার সংস্থার বিশ্ব কার্যক্রমের প্রধান আহমাদ নওরোজি ইরানে সাংবাদিক দিবস উপলক্ষে এক বার্তায় গণমাধ্যমকর্মী ও সাংবাদিকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে তিনি বিশ্বের বাস্তবতা ও পরিবর্তিত পরিস্থিতি তুলে ধরার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকর্মীদের গভীর, ঐতিহাসিক ও সভ্যতাগত দায়িত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

পার্সটুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাংবাদিক দিবস উপলক্ষে আহমদ নওরোজির বার্তায় বলা হয়, ইরানের গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত ক্যালেন্ডারে এই দিনটি অঙ্গীকার স্মরণ করার দিন। অঙ্গীকারটি হচ্ছে সাংবাদিক ও সত্যের মধ্যে, গণমাধ্যম ও জনগণের মধ্যে, কলম ও দায়িত্বের মধ্যে এবং বর্ণনা ও ইতিহাসের মধ্যে একটি অঙ্গীকার।

নওরোজি বলেন, ইরানের জাতীয় সম্প্রচার সংস্থার বিশ্ব কার্যক্রম তার মৌলিক দায়িত্বের কারণে সবসময় এই বৃহৎ অঙ্গনের কেন্দ্রেই অবস্থান করেছে। ইরানি জনগণের কণ্ঠ, ইরানি-ইসলামী সংস্কৃতি, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা, ন্যায়বিচারের আদর্শ, প্রতিরোধের সত্য এবং নিপীড়িত মানুষের দুর্ভোগ—এসব বিষয় সঠিক ভাষায়, শিল্পসম্মত উপস্থাপনায়, বিশ্বাসযোগ্য পদ্ধতিতে এবং বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিভিন্ন শ্রেণির দর্শক-শ্রোতার কাছে তুলে ধরাকে তারা নিজেদের ওপর অর্পিত একটি মহান দায়িত্ব বলে মনে করে।

তিনি বলেন, আজ ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের জাতীয় সম্প্রচার সংস্থার বৈদেশিক নেটওয়ার্কগুলোর সাংবাদিক, প্রতিবেদক, সম্পাদক, প্রযোজক, অনুবাদক, সংবাদপাঠক, চিত্রগ্রাহক, তথ্যচিত্র নির্মাতা, বিশ্লেষকসহ সব পরিশ্রমী কর্মী এই অগ্রভাগে অবস্থান করছেন। তারা বিশ্বাসী, জ্ঞানী ও সৃজনশীল; আন্তর্জাতিক ভাষা ও সংস্কৃতিতে দক্ষ এবং ইরান ও বিশ্বজুড়ে সাহস ও গণমাধ্যমের নৈতিকতায় সমৃদ্ধ।

সত্য প্রচারে সদা সচেষ্ট সাংবাদিকদের প্রশংসা করে তিনি লিখেছেন, ইসলামী বিপ্লবের বিজয়ের প্রায় পাঁচ দশক ধরে বিশেষ করে চলমান সংঘাতে, তারা ক্যামেরা, কলম, কণ্ঠ ও চিত্রের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের ময়দানে উপস্থিত ছিলেন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সত্য তুলে ধরা ও সমাজের মানসিক নিরাপত্তা রক্ষার পথে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাদের স্মৃতি আমাদের আধ্যাত্মিক সম্পদ এবং সব গণমাধ্যমকর্মীর পথচলার আলোকবর্তিকা।#

পার্সটুডে/এসএ/৮

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।