মি. রুহানি, মূল দ্বন্দ্ব হলো ‘প্রতিরোধ ও আত্মসমর্পণ’ অন্য কিছু নয়: বোরুজেরদি
-
সাবেক প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি
পার্সটুডে-বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে জনগণ আরও '২০ বছর যুদ্ধ করতে প্রস্তুত কি না'-হাসান রুহানির এই বক্তব্য সমালোচনার মুখে পড়েছে।
সমালোচকদের বক্তব্য, এমন দ্বৈততার প্রশ্ন তোলার আগে পশ্চিমাদের ওপর '৮ বছর আস্থা, আলোচনা ও চুক্তির অভিজ্ঞতা', পাশাপাশি প্রতিপক্ষের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও চাপ সৃষ্টির বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করা উচিত।
আলাউদ্দিন বোরুজেরদি রুহানির বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘২০ বছর যুদ্ধ, নাকি অন্য কোনো পথ’-এভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করলে এবং আগ্রাসী পক্ষের আচরণ বিবেচনায় না নিলে মূল প্রশ্নটিই বদলে যায়।
আবদুল্লাহ গাঞ্জি রুহানিকে প্রশ্ন করেছেন-বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে সংঘাত এড়াতে যে ‘অন্য পথের’ কথা বলা হচ্ছে, সেটি আসলে কী? এর অর্থ কি পারমাণবিক অধিকার, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা থেকে পিছু হটা? নাকি প্রতিপক্ষের নতুন দাবির বিনিময়ে আরও ছাড় মেনে নেওয়া?
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জাভাদ বাখশি-আলমোতি জোর দিয়ে বলেন, যারা অতীতে পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে সমঝোতার পক্ষে ছিলেন এবং জন কেরির স্বাক্ষরকে নিশ্চয়তা মনে করেছিলেন, তারা আজও সেই নীতির ফলাফল নিয়ে জবাবদিহি করার পরিবর্তে দায় এড়িয়ে জনমতকে নিজেদের কর্মকাণ্ড থেকে দূরে সরানোর চেষ্টা করছেন।
মোহাম্মদ আমিন সোলেইমি পরমাণু চুক্তি (JCPOA), লুসান ও সাদাবাদ আলোচনার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, মূল উদ্বেগ হলো এমন একটি পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা, যার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ইতিহাস রয়েছে। সমস্যা তখনই তৈরি হয়, যখন চুক্তির পরও প্রতিপক্ষ চাপ ও হুমকি অব্যাহত রাখে।
গণমাধ্যমকর্মী মোহাম্মদ আকবরজাদে রুহানিকে উদ্দেশ করে বলেন: কোনো আগ্রাসী ব্যক্তি যদি আপনার ঘরে ঢুকে পড়ে, তাহলে কি প্রথমেই ঘরের লোকদের জিজ্ঞেস করতে হবে-‘আমরা কি আত্মরক্ষা করব, নাকি করব না?’
পার্সটুডে/এনএম/৬
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।